বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পুলিশের জনবল বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। আমরা পুলিশের জনবল বাড়ানোর জন্য নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পাওয়ার পরপরই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) এবং বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিপিএসসি) মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নিয়োগের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যা যথাসময়ে দেশবাসীকে জানানো হবে।
নিয়োগ প্রক্রিয়ার পাশাপাশি সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি পুনর্গঠনের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নতুন করে পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সেই অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। কমিটিগুলো পুনর্গঠিত হলে অপরাধ দমনে স্থানীয় সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ট্রাফিক বিভাগেও নতুন নিয়োগের বিষয়ে সুখবর দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নিয়োগ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যথাযথ স্বচ্ছতা ও পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ট্রাফিক পুলিশের সক্ষমতা বাড়লে শহরের যানজট নিরসন এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।


