রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
30 C
Dhaka
Homeজেলার খবরফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ২৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে...

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ২৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন!

প্রকাশ: জুলাই ১৪, ২০২৬ ৮:৪২

সদ্য ঘোষিত চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে একযোগে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছে উত্তর ফটিকছড়ির ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।অন্যদিকে সুয়াবিল ইউনিয়ন ও নাজিরহাট পৌরসভার ৩টি ওয়ার্ডকে উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলায় সংযুক্ত করার প্রতিবাদে উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নারায়নহাট, দাঁতমারা ও বাগানবাজার ইউনিয়নের ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এ সময় নারায়নহাট আদর্শ ডিগ্রি কলেজ ও হেয়াকো বনানী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে সড়কে নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরাও সংহতি প্রকাশ করেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, সদ্য ঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর পশ্চিম ভুজপুরে না রেখে নারায়নহাট ও দাঁতমারার মধ্যবর্তী জুজখোলা মৌজায় স্থাপন করতে হবে। তাদের দাবি, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, যাতায়াত সুবিধা ও প্রশাসনিক সেবার দিক থেকে জুজখোলা মৌজাই উত্তর উপজেলার জন্য সবচেয়ে যৌক্তিক স্থান।
উত্তর ফটিকছড়ির শিক্ষার্থীদের  পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি পালন করা হয়।
শান্তিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফিজ বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। উত্তরাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়নে ভোটার, জনসংখ্যা ও রাজস্ব আদায় বেশি হলেও অতীতে আমাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই উপজেলা সদর দপ্তরও যৌক্তিক স্থানে চাই।”
বালুটিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তামজিদ বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে আন্দোলন করছি না। উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এবং সবার জন্য সহজ প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করতে উপজেলা সদর দপ্তর উত্তরের যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবি জানাচ্ছি।”
হেয়াকো বনানী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থী তাসনিম আক্তার বলেন, “যেখানে সদর দপ্তর ঘোষণা করা হয়েছে, সেটি আগের ফটিকছড়ি উপজেলার খুব কাছাকাছি। অথচ আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ওই সদর দপ্তরের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। নতুন উপজেলা গঠনের মূল উদ্দেশ্যই যদি মানুষের দোরগোড়ায় প্রশাসনিক সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়, তাহলে এত দূরে সদর দপ্তর স্থাপনের কোনো যৌক্তিকতা নেই। দ্রুত সদর দপ্তর স্থানান্তর করা না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।”
এছাড়াও ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুয়াবিল ইউনিয়নকে ২০ কি.মি. দুরের উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলায় সংযুক্তির প্রতিবাদে ও মাত্র ৪ কি.মি. দুরত্বের ফটিকছড়ি উপজেলায় সংযুক্ত করার দাবিতে সকাল ১১ টায় উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর