রবিবার, নভেম্বর ৩০, ২০২৫
রবিবার, নভেম্বর ৩০, ২০২৫
27 C
Dhaka

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৫৭২,মৃ-ত্যু নেই কারও

0

শনিবার (২৯ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ১৯৯ জন এবং বাকিরা ঢাকা সিটির বাইরের।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৬৬ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯১ হাজার ২২২ জন। মারা গেছেন ৩৭৭ জন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।

 

এখন বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থা নেই খালেদা জিয়ার : মির্জা ফখরুল

0

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আপাতত ফ্লাই করার মতো নেই। তবে বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া আছে। তিনি ফ্লাইয়ের জন্য প্রস্তুত হলে চিন্তা করা হবে বিদেশে নেওয়া হবে কি না।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থাতেই রয়েছেন। দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা, বিদেশের আমেরিকার জন হপকিংস এবং যুক্তরাজ্যের লন্ডন ক্লিনিকের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা করছেন।

এ সময় হাসপাতালের সামনে ভিড় না করতে দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, হাসপাতালের সামনে ভিড়ে চিকিৎসকরা বিব্রত। খালেদা জিয়াসহ হাসপাতালটির অন্য রোগীদের সেবা নিশ্চিতে কেউ হাসপাতালে ভিড় করবেন না।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া, কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ফলে ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পরদিন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন।

এরপর একাধিকবার শারীরিক নানা জটিলতায় তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। সবশেষে গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা জানান, খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণের পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।

 

ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ হলেই শুভ কাজ সেরে ফেলবেন মুফতি কাভি

0

অভিনেত্রী হিসেবে তার অবস্থান শুধু ভারতের মধ্যেই নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও এক অনন্য। তবে এবার এইতারকার সঙ্গে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানি মৌলভি মুফতি আবদুল কাভি, যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্কের ঝড়। খবর বলিউড লাইফের।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়ে এই মৌলভি জানান, অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিচ্ছেদ হলে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে শুভকাজ সেরে ফেলবেন তিনি। মুফতি আবদুল কাভি আরও দাবি করেন, তিনি ঐশ্বরিয়ার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অবগত এবং তাদের মধ্যে কোনো সমস্যা থাকলে তিনি নিজেই ঐশ্বরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন।

এ বিষয়ে মুফতি আবদুল কাভি পডকাস্টে বলেন, আমি কখনোই চাই না তাদের বিচ্ছেদ হোক, তবে যদি এমন কিছু ঘটে, তাহলে আমি নিশ্চিত ঐশ্বরিয়া আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। এরপর পডকাস্টারের প্রশ্নের উত্তরে, কিভাবে আপনি একজন অমুসলিমকে বিয়ে করবেন? মুফতি জানান, তিনি ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করবেন এবং তার নাম পরিবর্তন করে ‘আয়েশা’ রাখবেন। তারপরই তাদের বিয়ে হবে।

তিনি আরও বলেন, ঐশ্বরিয়া রাই যখন আয়েশা রাই হয়ে আমার পাশে থাকবেন, তখন সেটা দেখে সত্যিই মজা লাগবে।

মুফতি আবদুল কাভি, যিনি মাঝে মাঝে বিতর্কিত মন্তব্য করে চর্চায় উঠে আসেন, এর আগেও রাখি সাওয়ান্তের বিষয়ে এমন বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে, রাখি সাওয়ান্ত তার উপদেশে ধর্ম ও নাম পরিবর্তন করেছেন, যার পরে তিনি তার নাম ফাতিমা রেখেছিলেন।

এই ধরনের মন্তব্যে নেটপাড়া তোলপাড় হয়ে উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মৌলভি মুফতি আবদুল কাভির এমন ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কতটা যুক্তিযুক্ত? একইসাথে, এই মন্তব্যের পর ঐশ্বরিয়া রাই বা অভিষেক বচ্চন এর প্রতি তাদের প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

হঠাৎ জরুরি অবস্থা জারি শ্রীলঙ্কায়

0

ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’র প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যায় শ্রীলঙ্কায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায়দেশজুড়ে এ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়কর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তারও আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সরকার।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’র প্রভাবে শ্রীলঙ্কাজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া, এই ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৭৬ জন। সরকার প্রাকৃতিক এই বিপর্যয় মোকাবিলায় শনিবার দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) বলেছে, বৈরী আবহাওয়ায় দেশজুড়ে ১৫ হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস এবং ৭৮ হাজার মানুষকে সরকার পরিচালিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

টানা এক সপ্তাহের প্রবল বর্ষণের পর সৃষ্ট বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে জরুরি আইন জারি করেছেন। ডিএমসির মহাপরিচালক সম্পাথ কোটুউইগোদা বলেছেন, আমরা ১৩২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি এবং আরও ১৭৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীকে মোতায়েন করায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার হয়েছে। শনিবার দেশটির সামরিক বাহিনী অনুরাধাপুরা জেলায় টানা ২৪ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে এক জার্মান পর্যটকসহ ৬৯ জন বাসযাত্রীকে উদ্ধার করেছে। এই অভিযানে হেলিকপ্টার ও নৌবাহিনীর নৌকা ব্যবহার করা হয়।

বাসের এক যাত্রী স্থানীয় হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, নৌবাহিনীর সদস্যরা রশি ব্যবহার করে বন্যার পানি পেরোতে সহায়তা করেছেন। পরে কাছের একটি বাড়ির ছাদে উঠতে সাহায্য করেন তারা।

শান্তা নামের ওই যাত্রী বলেন, ‌‌আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান। আমরা ছাদে থাকার সময় এর একাংশ ধসে তিনজন নারী পানিতে পড়ে যান। কিন্তু তাদের আবার ছাদে তুলে আনা হয়। হেলিকপ্টারের প্রথম উদ্ধারচেষ্টা বাতিল করা হয়েছিল। হেলিকপ্টারের বাতাসে ছাদটি উড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে নৌকায় করে তাদের উদ্ধার করা হয়।

দেশটির মধ্যাঞ্চলের বদুল্লা জেলার বিভিন্ন সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যে কারণে সেখানকার অনেক গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানো যাচ্ছে না।

বদুল্লার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মাসপান্না গ্রামের সামান কুমারা বলেন, ‘আমাদের গ্রামে দু’জন মারা গেছেন। অন্যরা একটি মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে বাড়িতে অবস্থান করছেন। আমরা গ্রাম থেকে বের হতে পারছি না,  আর কেউ ঢুকতেও পারছে না। কারণ সব রাস্তা ধসেপড়া মাটিতে বন্ধ হয়ে গেছে। খাবার নেই এবং পরিষ্কার পানিরও ঘাটতি আছে।

কর্তৃপক্ষ বলেছে, দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়েছে। বন্যায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলো ডুবে গেছে। অনেক এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলের ক্যান্ডি জেলায় নতুন করে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানী কলম্বো থেকে ১১৫ কিলোমিটার পূর্বের এই জেলার প্রধান সড়কের বিশাল অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সরকার। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থান করা শ্রীলঙ্কানদের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য নগদ অর্থ পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

লঙ্কান কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হারিনি আমরাসুরিয়া কলম্বোভিত্তিক কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন এবং তাদের সরকারের কাছে সহায়তা চেয়েছেন। ভারত সবার আগে সাড়া দিয়ে দুটি বিমানে করে ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। পাশাপাশি কলম্বোতে শুভেচ্ছা সফরে থাকা একটি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ নিজেদের রেশন ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দান করেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্রীলঙ্কায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং আরও সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

সবশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে সরে গিয়ে উত্তরে ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঝড়ের প্রভাবে ৫৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে ভারতের চেন্নাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় প্রবল বর্ষণ ও তীব্র বাতাস বয়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের পর এটিই শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ওই বছর বন্যা ও ভূমিধসে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। চলতি শতকের শুরুর পর থেকে শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা গিয়েছিল ২০০৩ সালের জুন মাসে। সেসময় বন্যায় দেশটিতে ২৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটে।

 

 

দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ প্রকাশ,৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা

0

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত ‘আর্থকুয়েক অ্যাওয়ারনেস, সেফটি প্রটোকলঅ্যান্ড ইমার্জেন্সি প্রিপারেডনেস’ শীর্ষক সেমিনারে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সেমিনারটি আয়োজন করে জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড।

দেশি-বিদেশি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ, স্থপতি, প্রকৌশলী, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন এ সেমিনারে।

সেখানে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের এক গবেষণার কথা উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা। সেমিনারে উল্লেখ করা হয়, গত ১০০ বছরে বাংলাদেশে ২০০টির বেশি ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে এবং ২০২৪ সালের পর থেকে কম্পনের হার আরও বেড়েছে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় থাকা ‘মেগাথার্স্ট’ ফল্ট থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সিলেট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সাবডাকশন জোনে গত ৮০০-১০০০ বছরের সঞ্চিত শক্তি এখনও মুক্ত হয়নি—যা বিশেষজ্ঞদের মতে সবচেয়ে উদ্বেগজনক সতর্কসংকেত।

বক্তারা বলেন, টেকটোনিক প্লেটের ৩ ফল্টে ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। ভারত, মিয়ানমার ও ইউরেশীয়—এই তিন সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশ। সিলেটের ডাউকি ফল্ট, চট্টগ্রাম–টেকনাফের চিটাগং-আরাকান ফল্ট এবং মিয়ানমারের সাগাইং ফল্ট মিলিয়ে দেশটি অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত নগরায়ণ, ঘনবসতি, বিল্ডিং কোড উপেক্ষা এবং সংকীর্ণ সড়ক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তারা বলেন, সময়মতো সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেলে বড় ধরনের ভূমিকম্পেও ক্ষতি ও প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এখনই সিদ্ধান্ত না নিলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন জাপানের দুই ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপত্য বিশেষজ্ঞ কেসিরো সাকো এবং হেসাইয়ে সুগিয়ামা। তারা জাপানের ভূমিকম্প-পরবর্তী অভিজ্ঞতা, নিরাপদ অবকাঠামো নকশা এবং আধুনিক টেকসই নির্মাণমান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।

বক্তারা বলেন, সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগই পারে একটি ভূমিকম্প-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ভবনগুলোর স্ট্রাকচারাল অডিট, কাজের মান কঠোরভাবে তদারকি, জরুরি উদ্ধার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর প্রাথমিক সতর্কবার্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

পাশাপাশি নাগরিকদের নিয়মিত ড্রিল, সচেতনতা কার্যক্রম এবং পরিবারভিত্তিক জরুরি প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় সেমিনারে।

জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী স্বাগত বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় অনুভূত একাধিক ভূমিকম্প দেশের ঝুঁকি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং দুর্বল ভবন কাঠামোর কারণে বড় কোনো ভূমিকম্প ঘটলে বিপর্যয় ভয়াবহ হতে পারে। তাই সচেতনতা, প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র, আবাসন খাত ও জনগণ—এই তিনটি স্তম্ভ শক্তিশালী হলেই আমরা ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারবো।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন খ্যাতিমান প্রকৌশলী প্রফেসর ড. এম শামীম জেড বসুনিয়া, প্রফেসর ড. সৈয়দ ফখরুল আমিন (বুয়েট), রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদুজ্জামান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী, রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল হোসেন চৌধুরী রিজভী, প্রফেসর ড. রাকিব আহসান (বুয়েট), বাজুস প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান, বিএমইডির পরিচালক মমিনুল ইসলাম, স্থপতি আরিফুল ইসলাম, স্থপতি রফিক আজম ও ভিস্তারার এমডি মুস্তফা খালিদ পলাশ।

 

 

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় ২৪৮ নিহত,নিখোঁজ শতাধিক

0

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি জানায়, পশ্চিম সুমাত্রারআগাম জেলায় আরও মরদেহ উদ্ধারের পর সর্বশেষ নিশ্চিত নিহতের সংখ্যা ২৪৮। এখনও ১০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং ৫০০ জনের বেশি আহত। খবর আল জাজিরার।

বিএনপিবি প্রধান সুহারিয়ান্তো বলেন, অনেক মানুষ এখনও নিখোঁজ ও বহু এলাকা এখন উদ্ধারযোগ্য অবস্থায় নেই। এ কারণে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

প্রথমে সুমাত্রা জুড়ে ২৩ জন নিহতের তথ্য পাওয়া গেলেও পরে পশ্চিম সুমাত্রা অঞ্চলের সংস্থাগুলো জানায়, সেখানে ৬১ জন নিহত ও ৯০ জন নিখোঁজ। পরে উত্তর সুমাত্রায় ১১৬ জন এবং আচেহ প্রদেশে কমপক্ষে ৩৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী পশ্চিম সুমাত্রার বিভিন্ন অঞ্চলে ৭৫ হাজার ২১৯ জন বাস্তুচ্যুত এবং এক লাখ ছয় হাজার ৮০৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিরল এই ট্রপিক্যাল সাইক্লোন তৈরি হয় মালাক্কা প্রণালীতে; যা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডজুড়ে টানা বর্ষণ ঘটায়। এতে তিন দেশে প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে নিহত হয়েছেন ১৪৫ জন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ লাখ মানুষ। আর মালয়েশিয়ায় ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।

অবিরাম বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় নদীর পানি ভয়াবহভাবে বেড়ে যায়, ভেসে যায় পাহাড়ি জনপদ, ধ্বংস হয় হাজারো ঘরবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সড়ক ধসে পড়া, সেতু ভেঙে যাওয়া ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ অবস্থাতেও বিমানযোগে ত্রাণ ও খাদ্য সরবরাহ চলছে। বহু এলাকার পরিবার এখনও বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে। উত্তর সুমাত্রার সেন্ট্রাল তাপানুলিসহ বহু অঞ্চল সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তা।

ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা: সিইসি

0

শনিবার (২৯ নভেম্বর) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজধানীরশেরেবাংলা নগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘মক ভোটিং’ পরিদর্শন শেষে সিইসি এ মন্তব্য করেন। মক ভোটিংয়ের মাধ্যমে সময় ব্যবস্থাপনা, ভোটার সেবাদান ব্যবস্থা এবং সার্বিক প্রস্তুতির বাস্তব মূল্যায়ন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা মোটামুটি সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইনশাআল্লাহ, জাতিকে যে সুন্দর, অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি তা আমরা বাস্তবায়ন করব।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আজকের এই মহড়ার উদ্দেশ্য হলো একটি আদর্শ পোলিং সেন্টারের পরিবেশ কেমন হবে তা বাস্তবে দেখা। ভোটার কিউ, পোলিং অফিসারদের কার্যক্রম, প্রিসাইডিং অফিসারদের ভূমিকা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—সবই আমরা প্র্যাকটিক্যাল ডেমনস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাচাই করছি।

সিইসি জানান, প্রথমবারের ভোটারসহ অনেকেই কখনো ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় মক ভোটিং তাদের হাতে–কলমে ধারণা দিচ্ছে। পাশাপাশি কমিশন ভোট গ্রহণের পুরো সময় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা পরিমাপ করছে। যেহেতু নির্বাচনের পাশাপাশি এবার গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে, এজন্য সময় ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করি। এবার অতিরিক্ত গণভোট পরিচালনা করতে হবে। তাই আজকের রিয়েল টাইম এসেসমেন্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ৪২ হাজার ৫০০ পোলিং সেন্টার যথেষ্ট কি না, বা বুথ বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কি না।

এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, বুথ বাড়ানো মানে অতিরিক্ত জনবল, বাক্স, লজিস্টিকসহ নানা ব্যয় যুক্ত হবে। তবে কমিশন খরচ নয়, প্রয়োজনকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেবে। মানুষকে কষ্ট দিতে চাই না। সময় যদি বেশি লাগে, আমরা বুথ বা কেন্দ্র বাড়াব। আজকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হবে।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতর অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে সাংবাদিকদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করে বাইরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এটা সাংবাদিকতার কাজে বাধা নয়। পোলিং সেন্টারের ভেতর ধাক্কাধাক্কি বা ভিড় তৈরি হলে ভোটগ্রহণ ব্যাহত হতে পারে—এটা প্রতিরোধ করতেই অনুরোধ।

অনেকে দেড় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়ে মন্তব্য করলে সিইসি বলেন, এটিও একটি অভিজ্ঞতা। আজকের মূল্যায়নে আমরা দেখব কোন জায়গায় ঘাটতি আছে। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এসব গ্যাপ পূরণ করা হবে।

সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার প্রসঙ্গে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলা কখনো পারফেক্ট ছিল না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা তো থাকবেই। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি অনেক উন্নতি করেছে। আমরা পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। সিইসির দাবি, আগের তুলনায় এখন পরিস্থিতি অনেক শান্ত। তিনি বলেন, আগে আমরা নিজেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম। এখন পরিস্থিতি অনেক ইমপ্রুভ করেছে।

গণভোটের প্রচারণার বিষয়ে সিইসি বলেন, এটা এখনো জানার কথা নয়। আইন পাস হয়েছে মঙ্গলবার। আইন কমিশনকে অনুমোদন দিয়েছে। এখন থেকে প্রচার শুরু হবে—তথ্যমন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই মিলে ব্যাপক প্রচারণা করব।

সিইসি বলেন, গণভোটে চারটি প্রশ্ন থাকলেও ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—আইন অনুযায়ী প্রশ্নগুলো একসঙ্গে বান্ডেল করা। এক-দুটো প্রশ্নে হ্যাঁ, বাকি প্রশ্নে না—এ রকম পৃথক অপশন নেই। এটা রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত।

‘খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে চায়’তারেক রহমান

0

শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ কথা জানান তিনি।মাহদী আমিন লিখেছেন, বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তার চিকিৎসা পরিচালিত হচ্ছে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে। লন্ডন থেকে সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ডা. জুবাইদা রহমান দেশ-বিদেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। মায়ের চিকিৎসায় যেন কোনো বিলম্ব বা সীমাবদ্ধতা না থাকে সেজন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ তদারকি করছেন তারেক রহমান।

তিনি আরও লিখেন, হাসপাতালে নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খবর নিতে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ভিড় করলেও ইনফেকশনের ঝুঁকির কারণে কাউকে সিসিইউতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। দূর থেকেই মানুষ ভালোবাসা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

মাহদী আমিন বলেন, খালেদা জিয়ার কিছুটা শারীরিক উন্নতি হলে তাকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে লন্ডনের সেই হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, যাদের তত্ত্বাবধানে চলতি বছরের শুরুতে চার মাস চিকিৎসা নিয়ে খালেদা জিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি লাভ করেছিলেন। পাশাপাশি একটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসজ্জিত বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থার উদ্যোগও চলছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হবে। আধুনিক চিকিৎসা শেষে তিনি আবারও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবেন, নেতৃত্ব দেবেন এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ভূমিকা রাখবেন।

প্রসঙ্গত, প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ২৭ নভেম্বর দুপুরে নিউমোনিয়ার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।

 

সম্পন্ন হল ‘ফ্রি র‍্যাবিস ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন ২০২৫’

0

ক্যাম্পাসে প্রাণীকল্যাণে সচেতনতা বাড়াতে এই ক্যাম্পেইনকে শিক্ষার্থীরা ভীষণ উৎসাহের সঙ্গে গ্রহণ করে।সকালের শুরুতেই ক্যাম্পাসজুড়ে তৈরি হয় উচ্ছ্বাসপূর্ণ পরিবেশ। ভেটেরিনারি বিভাগের শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও বেশ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবকের অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন ফ্যাকাল্টির ডিন ড. মাহবুব হাসান এবং উত্তর বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এস এম আহসান। তাঁদের উপস্থিতি উদ্যোগটির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।

ক্যাম্পেইনে ক্যাম্পাসের ১৮টি কুকুর ও বিড়ালকে রেবিসের টিকা দেওয়া হয়। আয়োজকদের মতে, এই কার্যক্রম রেবিসের ঝুঁকি কমাতে এবং ক্যাম্পাসকে আরও নিরাপদ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে প্রাথমিকভাবে ক্যাট হাউজ স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এগুলোকে আরও বড় পরিসরে বিস্তৃত করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে Animal Welfare Team।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপদেষ্টা, অ্যালামনাই এবং স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত সহযোগিতা ছাড়া এই ক্যাম্পেইন সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হতো না।

টিমের সদস্য অর্পিতা বলেন—
“এই ক্যাম্পেইন কোনো সাধারণ টিকাদান কার্যক্রম নয়; এটি মানবিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং সহমর্মিতার বাস্তব উদাহরণ। আমরা বিশ্বাস করি—একটি ছোট উদ্যোগও বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।”

লৌহজংয়ে ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারুণ্যের সমাবেশ

0

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকালে লৌহজং উপজেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের আয়োজনে সরকারি লৌহজং কলেজ মাঠে তারুণ্যের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাজী মো. মুক্তার হোসেন খানের সভাপতিত্বে উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মনির হোসেন শিকদার ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তানভীর আহমেদ অভির যৌথ সঞ্চালনায়

লৌহজং উপজেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কর্মীসমর্থকের উপস্থিতিতে তারুণ্যের সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিএনপির নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন,
তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আপনারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। কারণ, ঐক্যের বিকল্প নেই। নির্বাচন নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গঠন করা হবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুল আহমেদ, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আলী আজগর রিপন মল্লিক, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. আল-আমীন খান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. ওমর ফারুক রাসেল, যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান এলবার্ট, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মো. মাহবুব আলম টিটু, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. ইকবাল হোসেন বেপারী, যুগ্ম আহবায়ক মো. ওশিন আহমেদ সময়, সদস্য সচিব মো. রানা হোসেন রনি প্রমুখ৷

আলোচনা সভায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন৷