রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের এ রায়ের পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন একই আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
রীতিমতো হুংকার দিয়ে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক বলেছেন, ‘ব্যাংক ডাকাত, ঋণখেলাপিদের জন্য এটি একটি বার্তা। নির্বাচিত হলে ঋণ খেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব।’
মূলত, বিএনপি হেভিওয়েট প্রার্থী বলে গণ্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিক বাছাইয়ে বৈধ ঘোষিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তার ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। আপিলে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে গত ১৭ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে ইসি। এতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ হয়।
মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন মঞ্জুরুল মুন্সী। রিটে ইসির ১৭ জানুয়ারির সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়। গত ২১ জানুয়ারি সেই রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
এরপর প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগের দ্বারস্ত হন বিএনপির এই প্রার্থী। কিন্তু, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার সেই লিভ টু আপিলও খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ।


