বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
27.4 C
Dhaka

ভেস্তে দিয়েছি আ.লীগের সব পরিকল্পনা : ডিএমপি কমিশনার

0
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিদর্শনের পর পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আজকের মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েতের মাধ্যমে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে চাইছে। তাদের (আওয়ামী লীগ) এই পরিকল্পনাকে আমরা এখন পর্যন্ত নস্যাৎ করে দিয়েছি। আমি আশা করি, সামনে যে কয়েক ঘণ্টা সময় বাকি আছে, সেই সময়ের মধ্যেও তারা কোথাও মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েত হতে পারবে না।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল বলে জানিয়ে তিনি বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগ কর্মীদের। বাইরে থেকে ঢাকায় আসার পরিকল্পনাও ছিল। সেই তথ্য আগাম পেয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছিল। সে অনুযায়ী তিন দিন ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোসহ বিভিন্ন চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোবাইল পেট্রল, সাদাপোশাকে টহলের সংখ্যাও বাড়ানো হয়।

আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বাইরের জেলাগুলো থেকে রাজধানীতে আসার পরিকল্পনা ঠেকাতে ঢাকার প্রবেশমুখ, ট্রেন স্টেশন, বাস স্টেশনসহ সব জায়গায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বিভিন্ন মেস, হোটেল এবং যেসব জায়গায় তাদের অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব স্থানে তল্লাশি চালানো হয়েছে। বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছি। গ্রেপ্তার করে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, আজকে মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েতের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চায় এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে চায়।

নাশকতার কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, প্রশ্নে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, দলটির মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সে বিষয়ে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মিছিল ও মিছিলপরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণের এই ঘটনা থেকে একটি বিষয় প্রতিভাত হয়েছে যে তাদের যেকোনো নাশকতার পরিকল্পনা থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু মিছিল থেকে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে, তা থেকে ডিএমপি কমিশনার ‘মোটামুটি নিশ্চিত’ যে সুযোগ পেলে তারা নাশকতামূলক কাজ চালাতে পারে। তবে পরিকল্পনা সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়নি।

 

ইমরান হাশমি দীর্ঘদিন পর ফিরছেন ভৌতিক সিনেমা নিয়ে 

0
দীর্ঘদিন পর ভৌতিক সিনেমা নিয়ে ফিরছেন ইমরান হাশমি
দীর্ঘদিন পর ভৌতিক সিনেমা নিয়ে ফিরছেন ইমরান হাশমি

অন্ধকার, রহস্য আর গা ছমছমে আবহ এই তিনের সঙ্গে বলিউডে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে, তার মধ্যে অন্যতম ইমরান হাশমি। ‘রাজ’, ‘এক থি ডাইন’ কিংবা ‘ডিব্বুক’-এর মতো সিনেমাতে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি প্রতিবারই। এবার পাঁচ বছরের বিরতি ভেঙে আবারও হরর ঘরানায় ফিরছেন এই অভিনেতা। নতুন সিনেমার নাম ‘রুহ’।

সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ময়াঙ্ক শর্মা, যিনি জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘ব্রিদ’-এর নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। ‘রুহ’কে শুধু একটি ভৌতিক ছবি হিসেবে নয়, বরং হরর, আবেগ এবং সংগীতের এক অনন্য মিশেল হিসেবে নির্মাণ করা হচ্ছে। সিনেমাতে মুক্তি পাবে হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায়। এই সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২০২৭ সালে।

নতুন এই সিনেমা নিয়ে ইমরান হাশমি বলেন, গল্পটি প্রথম শুনেই আমার আগ্রহ তৈরি হয়। এখানে এই সময়ের হরর, আবেগ ও গান খুব শক্তিশালীভাবে উঠবে আশা করি। দর্শক বরাবরই আমাকে এই ধরনের সিনেমাতে দেখতে পছন্দ করেন। ময়াঙ্ক যে জগৎ তৈরি করছেন, তা একই সঙ্গে তীব্র, আবেগঘন ও সিনেমাটিক। ‘রুহ’-এর গল্প লিখেছেন ময়াঙ্ক শর্মা ও বিশাল কাপুর। বিশাল এর আগে ‘লাপাছাপি’ ও ‘ছোরি’-এর মতো হরর সিনেমার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সিনেমা প্রযোজনা করছেন বিক্রম খাখার ও সানি খান্না, তাদের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভিকেড ফিল্মস প্রোডাকশনস-এর ব্যানারে।

অন্যদিকে পরিচালক ময়াঙ্ক শর্মার বলেন, আমি সব সময়ই হরর ঘরানা ভালোবাসি। ‘রুহ’ শুধু ভয় দেখানোর জন্য তৈরি হয়নি, এটি আবেগের নানা স্তর এবং অস্বস্তিকর এক পরিবেশের মাধ্যমে দর্শকদের নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। ইমরানের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। এ দিকে, ‘রুহু’র অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে যাচ্ছে এর গান। ইমরান হাশমির সিনেমা্য গাঙ্গুলো সবসময় দর্শক ভালোবাসে তাই আসন্ন সিনেমার ক্ষেত্রেও সে ধারা বযায় রাখার কথা ভাবা হচ্চে। এবার দেখার পালা সিনেমাটি মুক্তির পর ককী চমক থাকে।

সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা

৬ দলের নিশ্চিত হলো ‘রাউন্ড অব ৩২’

0

ফুটবল বিশ্বে বাড়ছে কৌতূহল ও আলোচনা, কারণ শিরোপার পথে এখন আগের চেয়ে আরও দীর্ঘ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পথ পাড়ি দিতে হবে দলগুলোকে।

নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ১২টি গ্রুপের প্রতিটি থেকে শীর্ষ দু’দল সরাসরি জায়গা করে নেবে নকআউট পর্বে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে আরও আটটি দল, যারা নিজেদের গ্রুপে তৃতীয় হলেও সেরা পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে জায়গা পাবে পরবর্তী রাউন্ডে। সব মিলিয়ে ৩২টি দল নিয়ে শুরু হবে এই নতুন নকআউট ধাপ, যেখানে প্রতিটি ম্যাচই হবে এক ম্যাচের ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই।

এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনাসহ মোট ছয়টি দল এই পর্বে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করেছে। অন্য দলগুলো হলো মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স ও নরওয়ে। তবে বাকি ২৬টির ভাগ্য এখনো নির্ধারিত হয়নি, কারণ গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্ত হবে না।

সূচি অনুযায়ী, ‘রাউন্ড অব ৩২’ এর ম্যাচগুলো মাঠে গড়াবে ২৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই নির্ধারিত হবে শেষ ষোলোর (রাউন্ড অব ১৬) টিকিট। প্রতিটি ম্যাচেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল না এলে খেলা গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে, আর সেখানেও সমতা থাকলে টাইব্রেকার পেনাল্টিতে নির্ধারিত হবে বিজয়ী।

গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পরই পুরো নকআউট পর্বের পূর্ণাঙ্গ সূচি ও ম্যাচআপ চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করবে ফিফা। ফলে এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না কোন দলের প্রতিপক্ষ কে হবে। তবে সম্ভাব্য সমীকরণে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী দলগুলোর সম্ভাব্য মুখোমুখি লড়াই নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের মধ্যে।

বিশ্বকাপের এই নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে একবার নকআউট পর্বে প্রবেশ করলেই আর ভুলের কোনো সুযোগ থাকবে না, এমন বাস্তবতা ২০২৬ বিশ্বকাপকে আগের যেকোনো আসরের তুলনায় আরও নাটকীয় ও অনিশ্চিত করে তুলবে।

জামায়াতপন্থি ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

0

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।

ফুটবল খেলা দেখতে রাতে কেন সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ চিকিৎসকের

0
ফুটবল খেলা দেখতে রাতে কেন সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন চিকিৎসক
ফুটবল খেলা দেখতে রাতে কেন সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন চিকিৎসক

ফুটবলপ্রেমীদের অনেকটা সময় কেটে যাচ্ছে এখন স্ক্রিনের সামনে। ত্বকের সুরক্ষায় তাই রাতে খেলা দেখার সময়েও সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞের।

এ বিষয়ে ঢাকার ল্যাবএইড এস্থেটিক অ্যান্ড লেজার লাউঞ্জের ডার্মাটোলজিস্ট ডা. ইয়াসমিন আরা জামান বলেন, ৯০ মিনিটের ফুটবল খেলা দেখতে অবশ্যই সানস্কিন ব্যবহার করা উচিত। মোবাইলে দেখি কিংবা বড় স্কিনে দেখি, সবখানেই এই নিয়ম মানতে হবে। আর গ্যালারির আলোয় বসে খেলা দেখতে হলে ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। আসলে ঘরে আর বাইরে ব্যবহারের জন্য ভিন্নরকমের সানস্ক্রিন আছে।

কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ফোন বা এলইডি লাইট থেকে নির্গত ‘ব্লু লাইট’ ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। সূর্যের আলোর তুলনায় স্ক্রিনের আলোর তীব্রতা কম হলেও,দীর্ঘ সময় ব্যবহারে তা ডেকে আনে ক্ষতি।

যারা রাতে উজ্জ্বল আলোর গ্যালারিতে বসেও খেলা দেখেন তাদেরও সাবধান হবার পরামর্শ এই ত্বক বিশেষজ্ঞের। বলেন, আলোর ধরণ বুঝে ব্যবহার করতে হবে ক্রিম। ডা. ইয়াসমিন আরা জামান আরও বলেন, কাজে বাইরে বের হবার সময় ব্যবহার করতে হবে। রান্নার কাজের সময়ও আর বিভিন্ন শুটিং সেটেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক থাকবে সুরক্ষিত।

ফুটবল খেলা উপভোগের সময় সানস্ক্রিন ব্যবহারের পাশাপাশি ত্বক আর শরীরের সুস্থতায় পর্যাপ্ত পানি পান আর দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার পরামর্শ চিকিৎসকের।

নতুন করে ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু হলো হাম উপসর্গ নিয়ে, আক্রান্ত ১১৩৫

0
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত ১১৩৫
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত ১১৩৫

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৯৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৮৬টি শিশু মারা গেছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯। এই সময়ে ৯৭৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৬টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪ হাজার ৭৬৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৭১৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৪ হাজার ৯৭১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

 

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে: রিজভী

0
রুহুল কবির রিজভী
রুহুল কবির রিজভী

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক মিছিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন যৌথভাবে প্রতিবাদ মিছিল করেছে। মিছিলের উদ্দেশ্য হলো ফ্যাসিবাদের উঁকি দেওয়ার চেষ্টা প্রতিহত করা। যারা জনগণের জীবন থেকে সুন্দর ভোর, সূর্যের আলো, স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবনযাপন এবং মানুষের বাঁচার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তারা এখন নানা কায়দায় তাদের চুরি ও পাচার করা অর্থ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ম্যান্ডেটে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। শেখ হাসিনা নির্বাচন কেড়ে নিয়ে যে দুঃশাসন ও রক্তপিপাসু সরকার গঠন করেছিলেন, সেই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ম্যান্ডেটের মধ্য দিয়ে গঠিত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের বেড়াজাল তৈরির চেষ্টা চলছে।

রিজভী বলেন, আমাদেরকে যখন ১৭ বছর দমাতে পারেননি—বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছেন, র‍্যাব পাঠিয়েছেন, গোয়েন্দা পুলিশ পাঠিয়েছেন, জনির মতো অসংখ্য জাতীয়তাবাদের সৈনিককে হত্যা করেছেন। ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাইফুল ইসলাম হিরুসহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দকে গুম করেছেন। আবার গুমের রাজত্ব ফিরে আসবে, জনগণ সেটা সমর্থন দেবে? না। আবার ক্রসফায়ার ফিরে আসবে, জনগণ সেটাকে সমর্থন দেবে? না।

রিজভী আরও বলেন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি, শান্তি, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বন্ধ করার চক্রান্ত চলছে। তবে তা আর সম্ভব নয়। শুধু আজকে নয়, প্রতিদিন আমাদের সজাগ থাকতে হবে। ওরা নানা ধরনের উসকানিমূলক কাজ করবে। শুধু তারা নয়, তাদের পক্ষের অনেক মহল আজকে এমন কথাবার্তা বলছেন, যেটা দেশবিরোধী, সার্বভৌমত্ববিরোধী।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, একটা মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ জীবন, ২ লাখ মা-বোন নির্যাতিত হলেন, সেই জাতিকে আপনারা গোলাম বানাবেন? দিল্লির কৃতদাস বানাবেন? এটা হবে না। দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ, তাই দেশকে আর দিল্লির গোলাম বানানো যাবে না।

তিনি বলেন, পাচার করা টাকা দিয়ে পতিত শক্তি আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা.রফিকুল ইসলাম,মৎস্যজীবী দলের সাবেক সদস্য সচিব আব্দুর রহিম সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা।

বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেড়েছে নদ-নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা

0

সোমবার (২২ জুন) পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ১৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ৬২ সেন্টিমিটার নিচে। তবে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে নদীর পানি আবারও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার বলেন, আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি হলে নদী ও হাওরে পানি বাড়বে। কোথাও কোথাও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে, তবে বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা নেই।

এদিকে তাহিরপুরের বড়দল পুরানহাটি এলাকায় পাহাড়ি ঢলের পানিতে খালের পাড় ভেঙে ঘর ধসে রুবেল মিয়া (৩০) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের তীব্র স্রোতে পাড় ভেঙে পাশের একটি ঘর ধসে পড়ে। পরিবারের অন্য সদস্যরা বের হতে পারলেও ঘরের ভেতরে বাঁধা অবস্থায় থাকা রুবেল মিয়া বের হতে পারেননি। প্রায় সাত ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বিকেলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছেন।

টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি চর এলাকায় দেড় শতাধিক বসতভিটা ও চার শতাধিক একর ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙন ঠেকাতে ফেলা জিও ব্যাগ তিস্তার স্রোতে ভেসে গেছে। ভাঙনের মুখে থাকা পরিবারগুলো ঘরবাড়ি সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে। কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি উদ্যোগে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হলেও তা ভাঙন রোধে কার্যকর হচ্ছে না। স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন চরবাসী।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের তথ্য বলছে, তিস্তার চরাঞ্চল বর্তমানে কৃষির সম্ভাবনাময় এলাকা হলেও প্রতিবছর ভাঙনে শত শত হেক্টর কৃষিজমি নদীতে হারিয়ে যাচ্ছে। এতে কৃষকের উৎপাদন ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ভাঙনপ্রবণ এলাকায় জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলার কাজ চলছে। তবে নদী খনন, ড্রেজিং ও নদীশাসন ছাড়া স্থায়ীভাবে তিস্তার ভাঙন রোধ করা কঠিন।

এদিকে তিস্তার পানি বেড়ে চরাঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অনেক স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় নৌকাই এখন মানুষের একমাত্র ভরসা।

কক্সবাজারের টেকনাফে দুই-তিন দিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করছে উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, হ্নীলা, সদর ইউনিয়ন, বাহারছড়া, হোয়াইক্যং, শাহপরীর দ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ফসলি জমি ও চিংড়ি ঘেরও ক্ষতি হয়েছে।

গত সোমবার সকালে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে উত্তাল সাগরে শাহপরীর দ্বীপের দক্ষিণপাড়ার একটি ফিশিং ট্রলার ডুবে যায়। তবে ট্রলারের মাঝিমাল্লারা সাঁতরে নিরাপদে তীরে ফিরতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ ও জালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

টেকনাফ বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুর রশিদ আহমেদ বলেন, টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ বলেন, ভারী বর্ষণে একটি নির্মাণাধীন সেতুর অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে।

আবহাওয়া ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজানে বৃষ্টি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে আগামী কয়েক দিন নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা না থাকলেও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি অব্যাহত থাকবে।

রাতে এক গ্লাস গরম দুধে এক চামচ মধু খান, দেখুন জাদু!

0

সুস্থ ও ফিট থাকার জন্য আমরা কত রকমের দামি সাপ্লিমেন্ট কিংবা হেলথ ড্রিংকস কিনে থাকি। কিন্তু আমাদের রান্নাঘরেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যা সঠিকভাবে মিশিয়ে খেলে যে কোনো দামি ওষুধের চেয়েও বেশি কাজ করে থাকে। তেমনই একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত কার্যকরী কম্বিনেশন হচ্ছে— গরম দুধ ও মধু।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র থেকে শুরু করে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান— উভয় ক্ষেত্রেই এ মিশ্রণটিকে একটি ‘অমৃত’ বা জাদুকরী পানীয় হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।

দুধকে বলা হয়— সুষম আহার, যা ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের খনি। অন্যদিকে খাঁটি মধু হচ্ছে— প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের ভাণ্ডার।

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস হালকা গরম দুধে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে আপনার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি একাধিক শারীরিক জটিলতা নিমেষে দূর হয়ে যাবে। প্রকৃতির দেওয়া এ দুই উপাদানের নিয়মিত সেবন আপনাকে সারা দিন রাখবে চনমনে, সতেজ ও রোগমুক্ত। তাই কৃত্রিম কেমিক্যালযুক্ত এনার্জি ড্রিংকস বাদ দিয়ে আজ রাত থেকেই হোক এক গ্লাস হালকা গরম দুধে এক চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস। এবং সুস্থ জীবনের দিকে এক পা এগিয়ে যাওয়া।

দুধ ও মধুর এই যুগলবন্দি আপনার শরীরে প্রবেশ করার পর পুষ্টির শোষণ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। প্রতিদিন এ অভ্যাস বজায় রাখলে যে ইতিবাচক প্রভাব চোখে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, দুধ ও মধুর এই যুগলবন্দি আপনার শরীরে কতটা প্রভাব ফেলে—

  • অনিদ্রা দূর ও গভীর ঘুম

যারা রাতে বালিশে মাথা দিয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা এপাশ-ওপাশ করেন বা ইনসোমনিয়ার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই পানীয় ওষুধের মতো কাজ করে থাকে। দুধে রয়েছে ‘ট্রিপটোফ্যান’ নামক একটি অ্যামিনো অ্যাসিড, যা আপনার মস্তিষ্কে গিয়ে ‘সেবোটোনিন’ এবং পরে ‘মেলাটোনিন’ বা ঘুমের হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। মধুর গ্লুকোজ এ ট্রিপটোফ্যানকে খুব দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছাতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে তাকে। ফলে মন শান্ত হয় এবং নিমেষের মধ্যে গভীর ও আরামের ঘুম আসে।

  • রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

ঋতু পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি কিংবা গলার খুসখুসে ভাব দূর করতে দুধ-মধুর মিশ্রণ অনন্য। মধুর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা গলার ভেতরের সংক্রমণ দূর করে থাকে। আর গরম দুধ আপনার শরীরের ক্লান্তি দূর করে শক্তি জোগায়। নিয়মিত এটি খেলে শরীরের শ্বেত রক্তকণিকার কার্যক্ষমতা বাড়ে। ফলে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের আক্রমণ সহজে আপনার শরীরকে কাবু করতে পারে না।

  • হজমশক্তি উন্নত ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

মধু হচ্ছে একটি চমৎকার ‘প্রিবায়োটিক’ যা পাকস্থলীতে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে গরম দুধ আমাদের পরিপাকতন্ত্র বা বাওয়েল মুভমেন্টকে সচল রাখে। রাতে এ মিশ্রণটি খেয়ে ঘুমালে সকালে পেট পরিষ্কার হয় এবং গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো ক্রনিক সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।

  • হাড়ের গঠন শক্ত ও জয়েন্টের ব্যথা কমায়

দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, যা হাড় মজবুত রাখার জন্য প্রধান উপাদান। কিন্তু অনেক সময় শরীর এ ক্যালসিয়াম পুরোপুরি শোষণ করতে পারে না। আর মধুর মধ্যে থাকা বিশেষ পুষ্টিগুণ রক্তে ক্যালসিয়াম শোষণের হার বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে বয়সজনিত কারণে হাড়ের ক্ষয়, হাঁটুর ব্যথা বা অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

  • ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়

দুধ ও মধুর মিশ্রণ ভেতর থেকে আপনার শরীরকে ডিটক্সিফাই বা বিষমুক্ত করতে সাহায্য করে। ফলে রক্তের পরিচ্ছন্নতা বাড়ে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকে। ত্বকের কালচে ভাব দূর হয়ে এক প্রাকৃতিক জেল্লা বা গ্লো ফিরে আসে। এ ছাড়া চুলের গোড়াতেও প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছায়। ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়।

তবে দুধ ও মধু খাওয়ার সময় একটি বিষয় সবসময় মনে রাখবেন। ফুটন্ত বা অতিরিক্ত গরম দুধে কখনো মধু মেশাবেন না। কারণ অতিরিক্ত তাপে মধুর ওষধি গুণাগুণ ও এনজাইমগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সবসময় দুধ ফুটিয়ে নেওয়ার পর তা হালকা কুসুম কুসুম গরম অবস্থায় তাতে মধু মেশাবেন। তা না হলে মঙ্গলের বদলে অমঙ্গলই দেখা দেবে।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবেন কি নেইমার ? 

0
কাফের চোটের কারণে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী নেইমার। এ কারণে গ্রুপ পর্বে মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম দুই ম্যাচে তিনি খেলতে পারেননি। তবে গত সপ্তাহে পূর্ণমাত্রার অনুশীলনে ফিরেছেন এই তারকা ফুটবলার। সোমবার (২২ জুন) দলের কৌশলগত অনুশীলনেও অংশ নেওয়ায় তার ফেরার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়েছে।
জাতীয় দলে নেইমারের প্রত্যাবর্তন নিয়ে শুরু থেকেই ছিল ব্যাপক আলোচনা। ২০২৩ সালে উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে গুরুতর হাঁটুর চোট পাওয়ার পর দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। এরপর ক্লাব ফুটবলে খেলতে গিয়ে আরও কয়েক দফা ইনজুরিতে পড়েন। প্রায় ৬৫০ দিনের বেশি সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর সম্প্রতি আবারও ব্রাজিল দলে ফিরেছেন নেইমার।
ব্রাজিলের উইঙ্গার গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি জানিয়েছেন, অনুশীলনে নেইমারকে দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গেছে। তিনি বলেন, নেইমারের মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। অনুশীলনে তার তীব্রতা দেখেই বোঝা যায়, সে খেলতে কতটা মুখিয়ে আছে।
দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে গ্রুপ ‘সি’এর শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয় বা ড্র করতে পারলে এবং অন্য ম্যাচের ফল অনুকূলে থাকলে গ্রুপসেরা হিসেবেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করতে পারবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এমন পরিস্থিতিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারকে দেখা যাবে কি না, সেটিই এখন ব্রাজিল সমর্থকদের সবচেয়ে বড় কৌতূহল। সবকিছু ঠিক থাকলে বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মাঠ মাতাতে দেখা যেতে পারে সেলেসাওদের এই মহাতারকাকে।