রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬
রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬
27 C
Dhaka

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ছাতক উপজেলা শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

0

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে সংগঠনের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শাখার সভাপতি মোঃ মুশাহিদ আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন।

সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সমস্যা, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হবে। সংবাদ পরিবেশনে বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সংগঠনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ সময় বিএমএসএফ ছাতক উপজেলা শাখার অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি নুর উদ্দিন, সহ-সভাপতি এইচ. এম. খালেদ মিয়া ও আরিফুর রহমান মানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফজল উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ রুনু, অর্থ সম্পাদক জানে আলম, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মেহেদী এবং নির্বাহী সদস্য রাফি আহমদ।

ফটিকছড়ির এমপি সরোয়ার আলমগীরের মায়ের ইন্তেকাল

0
বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর
বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম নগরের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার রাত ৯টায় নাজিরহাট পৌরসভায় সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের নিজ বাড়িতে মরহুমার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
মরহুমার ইন্তেকালের খবরে ফটিকছড়ির রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বজনরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামী, বিএনপিসহ ফটিকছড়ির বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

0
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্বাচনের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পুনর্গঠনে নেওয়া কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ গড়ার কাজ যখন এগিয়ে চলছে, তখন একটি নির্দিষ্ট চক্রান্তকারী মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এসব দেশবিরোধী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দেশের সচেতন নাগরিক ও পেশাজীবীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখনই অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যায়, তখনই দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু করে। দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত জরুরি।

এর আগে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি জানান, বর্তমান সরকার এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে। দ্রুত ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর পাশাপাশি উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

পেশাজীবীদের রাজনীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা পেশাজীবীদের রাজনৈতিক সচেতনতা ও নিজস্ব মতাদর্শ থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজ নিজ পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি না করে, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রচলিত রাজনৈতিক চর্চার বাইরে গিয়ে রাজনীতিতে ইতিবাচক ও গুণগত পরিবর্তন আনা এখন সময়ের বড় দাবি।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ সংগঠনের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সেবার মানসিকতা ছাড়া চিকিৎসার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

0
দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের উদ্দেশে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসকদের মূল দায়িত্ব মানুষের সেবা করা। তাই পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রোগীর প্রতি দায়িত্ববোধ ও সেবার মানসিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকলেও তা যেন পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে কোনো বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের জ্বালানি খাত নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। জ্বালানি সমস্যা সমাধানে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

এর আগে ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে তিনি একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। চিকিৎসক সমাবেশ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী শান্তির প্রতীক হিসেবে দুটি পায়রা উড়িয়ে দেন।

বাংলা কিউআরভিত্তিক ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক : গভর্নর
অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারতের সমর্থন নেই : রণধীর জয়সওয়াল

0
মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল
মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান রণধীর জয়সওয়াল।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আমি বলতে চাই, ওই সংবাদ সম্মেলনটি হওয়ার আগেই আমি এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান জানিয়েছি। একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। ভারত সরকার ওই মঞ্চ থেকে বলা কোনো কথাই সমর্থন করে না, বিশেষ করে বৈধভাবে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যা বলা হয়েছে, তা ভারত সরকার অনুমোদন করে না।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা গত বুধবার নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেটস ক্লাব (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।

এরপর শেখ হাসিনাকে ভারতের নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমে মতবিনিময় করার সুযোগ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছে যে, পলাতক সাজাপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে সে ও তার দোসররা বাংলাদেশের রাষ্ট্র এবং এদেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছে। উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের ওপর এই ধরনের কর্মসূচির সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে ভারত সরকারকে আগেই বাংলাদেশ উদ্বেগ জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও এ ধরনের প্রকাশ্য অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়ায় ঢাকা গভীর অনুতাপ প্রকাশ করছে।

বুধবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রেখে আমাদের জনগণ দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ, আমাদের জাতি আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার দিনে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনোই কারো অনুগত বা প্রজা রাষ্ট্র হবে না। সাজাপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী হাসিনা এবং তার মাফিয়া চক্রের ঠাঁই বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কখনোই হবে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে ভারতের সঙ্গে একটি গঠনমূলক, পারস্পরিক সুবিধাজনক এবং ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। দুঃখজনকভাবে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশের বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এর বিপরীতে, যেকোনো অজুহাতে তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রকাশ্য আলোচনার সুযোগ দেওয়া আমাদের জনগণের অনুভূতির জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য ক্ষতিকর।

প্রাইভেট কারের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

0

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সদর উপজেলার এরুলিয়া বিমানবন্দর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বগুড়া মহানগরীর আটাপাড়া এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী বাবুল হাসান (৫০) এবং তার স্ত্রী জেসমিন বিবি (৪৫)। আহত নাতির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, তবে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে নওগাঁর দিকে যাচ্ছিলেন বাবুল হাসান। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী ও নাতি ছিলেন। পথিমধ্যে একই দিকে যাওয়া একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাবুল হাসান মারা যান। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় জেসমিন বিবি ও তাদের নাতিকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জেসমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে চালক পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আমরা সামাজিক উন্নয়ন ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী

0
শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন
শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে কচুয়া উপজেলার সাচার এলাকায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় আয়োজিত মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কচুয়া অন্যতম আলু উৎপাদনকারী অঞ্চল। পাশাপাশি রবি মৌসুমে এখানে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণে দীর্ঘদিনের যে সংকট ছিল, তা দূর করতে সরকার পরীক্ষামূলকভাবে এই মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করেছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত কৃষকরা এসব কোল্ড স্টোরেজে আলু, বীজ, ডিমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে কৃষকদের আর মৌসুম শেষে কম দামে ফসল বিক্রি করতে হবে না। প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রির সুযোগ তৈরি হবে, যা কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

মন্ত্রী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, রেজিস্টার মানেই সংঘবদ্ধ ব্যবসা। বাজারের উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সব দাবি আদায়ের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাজার সমিতি এমনভাবে পরিচালিত হবে, যেখানে সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বাজার সমিতিই হবে সেই বাজারের সংসদ।

তিনি আরও বলেন, আমরা সামাজিক উন্নয়ন ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। অতীতের সঙ্গে বর্তমানের পার্থক্য মানুষ আজ অনুভব করছে। এখন ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছেন, কেউ অযথা হয়রানি করছে না।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে ড. মিলন বলেন, আমি কচুয়ার সন্তান। আওয়ামী দুঃশাসনের সময় মানুষ কীভাবে নির্যাতিত হয়েছে, তা আমি নিজ চোখে দেখেছি। সাচার বাজারে ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে কেউ মুখ খুলতে পারত না। এলাকায় যে ডাকবাংলো ছিল, সেটিও একসময় মাদকাসক্তদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছিল।

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জুলাইয়ের সেই নির্মম হত্যাযজ্ঞ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। অতীতের দুঃস্বপ্নকে শিক্ষা হিসেবে ধারণ করে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে। কোথায় ছিলাম, কোথায় এসেছি এবং কোথায় যেতে চাই— সেই উপলব্ধি থেকেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সৈকত দাস, উপজেলা উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির হোসেন, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মিজান মোল্লা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম সবু, সাধারণ সম্পাদক জহির সরকার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান জুয়েলসহ স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে কৃষকদের মাঝে হাইব্রিড সোলার অপারেটেড মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ করা হয় এবং এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কচুয়ার কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণ সহজ হবে এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

 

সাকিবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরার সুযোগ নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

0
সাকিব আল হাসান
সাকিব আল হাসান

আমিনুল হকের ভাষায়, ‘আমরা অনেক নমনীয়, অনেক সহনশীলভাবেই জিনিসটাকে দেখছিলাম। এরপরে আর মনে হয় না যে ওইভাবে চিন্তা করার সুযোগ আছে।’

‎আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাকিবকে দেশে ফিরতে হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যে স্বৈরাচারের মঞ্চে উঠেছে, তার তো আর আসার সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। একজন খেলোয়াড় হিসেবে যেটা আমরা চিন্তা করছিলাম, আমরা নমনীয় ছিলাম। এখন আর কোনো সুযোগ নেই। যে যদি আসে, তাহলে আইনগতভাবে আসবে।’রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

গণ-অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালানোর দুই বছর পর সম্প্রতি শেখ হাসিনা দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন। অনেকের মতে, এই পদক্ষেপ তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয় ও ভবিষ্যৎকে বেশি গুরুত্ব দেয়ার ইঙ্গিত দেয়।

ওই সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশে সাকিবের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বাড়ির জানালার কাচ ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন দেয়ারও চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনাকে দেশে ফিরলে সাকিব কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন, তারই একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারেও আমিনুল হক একই কথা বলেন। তিনি বলেছেন, ‘তার (সাকিবের) দেশে ফিরে খেলার কোনো সুযোগ দেখি না। একজন ক্রিকেটারের পরিচয় থেকে সরে এসে যেভাবে তিনি রাজনৈতিক পরিচয়কে সামনে এনেছেন, তাতে আমার মনে হয় না তার দেশে ফেরার কোনো সুযোগ আছে। ফিরলে তাকে আইনের মুখোমুখি হতেই হবে।’

আমিনুল আরও বলেন, ‘তিনি একজন খেলোয়াড় হওয়ায় আমি এবং অন্যরা এতদিন অনেক সহনশীল ছিলাম। কিন্তু এখন আর তার প্রত্যাবর্তনের জন্য কোনো উদ্যোগ নেয়ার সুযোগ দেখি না।’সংবাদ প্রতিবেদন

একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনার পর আমার মনে হয়, এখন তার ক্রিকেটার পরিচয়ের চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ই বড় হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দলের নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে বসার জন্য নির্বাচিত হওয়াই তার রাজনৈতিক অবস্থান ও আকাঙ্ক্ষার স্পষ্ট বার্তা দেয়। তবে প্রতিটি সিদ্ধান্তেরই মূল্য দিতে হয়, আর তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার মূল্য সম্পর্কেও নিশ্চয়ই তিনি অবগত।’

আলমগীরের ভাষায়, ‘তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের জন্য নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিসর্জন দিয়েছেন।’

জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখন তাকে ক্রিকেটারের চেয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবেই দেখতে হবে। সেক্ষেত্রে আগে তার বিরুদ্ধে থাকা সব অভিযোগ থেকে আইনি মুক্তি পেতে হবে, এরপর জাতীয় দলে ফিরতে হলে ফিটনেস পরীক্ষাও পাস করতে হবে। কিন্তু তার বয়স বিবেচনায় আবার জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।’

ছুটির দিনেও এলএনজি কেনার অনুমোদন

0

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) ছুটির দিন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অষ্টম সভা।

সভায় জানানো হয়, জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) ভিত্তিতে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ২০২৬ সালের ১১-১২ আগস্ট ডেলিভারির জন্য এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে।

একটি এলএনজি কার্গোতে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ থাকে। সে হিসাবে এ কার্গোর মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৭ কোটি ২৪ লাখ ৮ হাজার মার্কিন ডলার।

এদিকে ২০২৬ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত জিটুজি ভিত্তিতে গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে এলএনজি কেনার দরপ্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়টি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ বৈঠক থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

৯ আগষ্ট ফটিকছড়ি সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0

আগামী রবিবার (৯ আগস্ট) ফটিকছড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে পুরো উপজেলায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। তাঁকে স্বাগত জানাতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) সরেজমিনে ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। অপসারণ করা হয়েছে আগাছা। কোথাও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে, কোথাও চলছে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বিদ্যুৎ ব্যবস্থারও প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়েছে।

সেদিন দুপুরের দিকে পাইন্দং ইউনিয়নের পেলাগাজীর দিঘী সিএনবি মাঠে নির্মাণাধীন হেলিপ্যাড এলাকায় নেমে সড়ক পথে ফটিকছড়ি বাসস্ট্যান্ড, বিবিরহাট বাজার হয়ে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পেলাগাজীর দিঘী থেকে নাজিরহাট হালদা নদীর ওপর নির্মিত নতুন সেতু পর্যন্ত এলাকায় প্রস্তুতির ব্যস্ততা দেখা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে সাক্ষাতের স্থান আল জামেয়া ইসলামীয় আজিজুল উলুম বাবুনগরী মাদ্রাসা ও এর আশপাশের এলাকাও সাজসজ্জায় প্রস্তুত করা হয়েছে।
এলাকাবাসীরা মনে করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন ফটিকছড়িবাসীর জন্য গৌরবের এবং উপজেলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফটিকছড়ির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পেলাগাজীর দিঘী থেকে সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন পয়েন্টে দলীয় নেতা-কর্মীরা অবস্থান নেবেন। রংবেরঙের সাজে সজ্জিত হয়ে নারী-পুরুষেরা দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।

পাশাপাশি ফটিকছড়ির প্রাচীন ঐতিহ্য ও স্থানীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরারও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চা ও রাবারশিল্পের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদের ঐতিহ্য, জীবনযাপন ও সংস্কৃতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর চেষ্টা করবেন স্থানীয়রা।

উপজেলা শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল হক সুমন বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা নিজ উদ্যোগে রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও সজ্জিত করছেন। এই প্রস্তুতিই প্রমাণ করে, ফটিকছড়িবাসী প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে বরণ করে নিতে চায়।’

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে নানা প্রত্যাশা। তাঁদের অন্যতম দাবি, ফটিকছড়িতে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ফটিকছড়িতে দেশের বড় বড় চা-বাগানের পাশাপাশি এশিয়ার খ্যাতনামা রাবার বাগান রয়েছে। রয়েছে সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্রও। এত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও গত চার দশকে এখানে উল্লেখযোগ্য শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। ফলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় তৈরি হয়নি।

তাঁদের অভিযোগ, সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র থেকে উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ফটিকছড়ির মানুষ এখনো গ্যাস-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি প্রবাসী অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রবাসীদের সহায়তায় একটি পূর্ণাঙ্গ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) প্রতিষ্ঠার দাবিও দীর্ঘদিনের।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর সফর আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ফটিকছড়ির দীর্ঘদিনের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের দাবিগুলো সামনে আনার সুযোগ তৈরি করবে।

ফটিকছড়ি প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রশাসন পুরোপুরি প্রস্তুত। সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার থেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাও ফটিকছড়িতে অবস্থান শুরু করবেন।

ফটিকছড়ি আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, ‘ফটিকছড়িবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তাঁর আগমনকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফটিকছড়িবাসীর এই উচ্ছ্বাস ও আবেগে আমিও আপ্লুত।’

সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে ফটিকছড়িতে এখন সাজ সাজ রব। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে, বাজারের আড্ডায় কিংবা রাজপথে—আলোচনার বিষয় একটাই, প্রধানমন্ত্রী আসছেন।