শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬
শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬
31 C
Dhaka
Homeআন্তর্জাতিকইরানে ঢুকতে যুদ্ধজাহাজ নিয়ে রওনা হয়েছে মার্কিন সেনারা

ইরানে ঢুকতে যুদ্ধজাহাজ নিয়ে রওনা হয়েছে মার্কিন সেনারা

প্রকাশ: মার্চ ১৪, ২০২৬ ৫:০০

ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিধ্বংসী সংঘাতের ১৫তম দিনে (১৪ মার্চ) দেশটিতে বড় ধরনের স্থল অভিযানের সংকেত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে জাপানের ওকিনাওয়া থেকে রওনা হয়েছে মার্কিন মেরিন সেনাদের একটি শক্তিশালী দল। জাপানে অবস্থানরত ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের এই সদস্যরা এখন উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’র সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে অগ্রসর হচ্ছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউএসএস ত্রিপোলি একটি বিশেষায়িত ‘অ্যাম্ফিবিয়াস অ্যাসল্ট শিপ’, যা সমুদ্র থেকে সরাসরি স্থলভাগে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম নামিয়ে দিতে সক্ষম। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধে এবারই প্রথম সরাসরি স্থলসেনা মোতায়েনের আভাস দিচ্ছে ওয়াশিংটন। ধারণা করা হচ্ছে, প্রয়োজনে ইরানের উপকূলীয় কোনো অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া কিংবা কৌশলগত কোনো পয়েন্টে ঝটিকা অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যেই এই মেরিন বাহিনীকে পাঠানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, যা সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রণক্ষেত্রে যখন সেনাসংখ্যা বাড়ছে, তখন কূটনৈতিক টেবিলেও কিছুটা নড়াচড়া লক্ষ্য করা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি যুদ্ধ শেষ করার একটি অস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও ইরান এর আগে স্পষ্ট জানিয়েছিল, তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। তবে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শান্তির লক্ষ্যে ৩টি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেছেন।

পেজেশকিয়ানের উত্থাপিত ৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: ইরানের সার্বভৌম অধিকারের পূর্ণ স্বীকৃতি, পরবর্তীতে দেশটির ওপর আর কোনো হামলা হবে না এমন আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি এবং একটি টেকসই শান্তি চুক্তি। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল এখন পর্যন্ত এই দাবিগুলোর বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালিয়ে দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। এর জবাবে পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে ইরান।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর