রোববার (২৯ মার্চ) প্রথম ম্যাচে দল জিতলেও তার দল লাহোর কালান্দার্স হেরে যায় ৪ উইকেটে। অবশ্য এদিন শেষ মুহূর্তে ৫ রানের জরিমানা হজম করতে হয় লাহোরকে।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে লাহোরের দেয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় করাচি। ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজ। আর ১২ বলে ১২ রান করে আউট হন ইমন।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি করাচির। মাত্র ১০ রানে দুই ওপেনার অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে দেন শাহিন আফ্রিদি।
এরপর ইনিংসের হাল ধরেন ওয়াসিম। তরুণ সাদ বেগ (১৯) এবং মঈন আলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। ৩৯ রানের মাথায় সাদকে ফেরান মুস্তাফিজ। আর শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৩৮ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে আবারও শাহিনের শিকার হন ওয়াসিম। একই ওভারে মঈন (১৮) আউট হলে করাচির স্কোর দাঁড়ায় ৮৮/৫। এরপর খুশদিল শাহ ও আজম খানের ৩২ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরায় দলকে।
শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৪ রান। তবে বলের অবস্থা পরিবর্তনের কারণে ফিল্ডিং দল লাহোরের ওপর ৫ রানের পেনাল্টি আরোপ করলে সমীকরণ নেমে আসে ৯ রানে।শেষ ওভার করতে গিয়ে হারিস রউফ প্রথম বলেই খুশদিলকে (১৩) ফিরিয়ে দিলেও, পরের ব্যাটার আব্বাস আফ্রিদি টানা চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে নাটকীয় জয় এনে দেন। লাহোরের হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন শাহিন, ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রানে নেন ৪ উইকেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে লাহোর ২০ ওভারে ১২৮/৯ রান সংগ্রহ করে। আব্দুল্লাহ শফিক ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে দলের সর্বোচ্চ রান করেন। এছাড়া সিকান্দার রাজা ১৯ রান এবং হাসিবুল্লাহ খান যোগ করেন ২৮ রান। করাচির হয়ে অ্যাডাম জাম্পা, মির হামজা ও মঈন নেন দুটি করে উইকেট।


