রোববার (১৭ মে) দুপুরে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
এ সময় কাতারের শ্রমমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ ও কাতারের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বিশেষ করে জনশক্তি রপ্তানি এবং প্রবাসী শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনার জন্য তার এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সফরকালে ড. আল মাররি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতৃবৃন্দ এবং কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।
কাতারের শ্রমমন্ত্রীর এই সফরে মূলত কয়েকটি প্রধান এজেন্ডা প্রাধান্য পেতে পারে:
জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি: বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি কাতারে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা।
শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা: কাতারে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ উন্নত করা, নূন্যতম মজুরি এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ: দুই দেশের মধ্যকার শ্রমবাজারের জটিলতা দূর করে ভিসা ইস্যুর প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করা।
সোমবার সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক মন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


