আজ বুধবার (২৭ মে) গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতভর যানজট ছিল। গাজীপুরের দেড় হাজার পোশাক কারখানাসহ প্রায় আড়াইহাজার কারখানায় একযোগে ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতে দুপুরের পর থেকে ঘরমুখো লাখো মানুষ একসঙ্গে স্টেশনগুলোতে ভিড় করে। মানুষের সঙ্গে মহাসড়কে বাড়ে যানবাহনের চাপ। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ভোগড়া বাইপাস থেকে চন্দ্রা হয়ে কালিয়াকৈর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট তৈরি হয়। ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে চন্দ্রা পার হতে ৬-৭ ঘণ্টা লেগে যায়। বৃষ্টিতে দুর্ভোগ বাড়ে বহুগুণ। অনেক যাত্রীকেই দেখা যায় কাঙ্ক্ষিত গাড়ি না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে গন্তব্যে যেতে।
তবে আজ সকাল থেকে যানজট পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে সড়ক বিভাগ। মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি পরিবহন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করছেন।
কালিয়াকৈর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, এবারে ঈদযাত্রায় ভোগান্তির কারণ মূলত বৃষ্টি। মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিতে পানি জমে থাকায় যানবাহন অনেকটাই ধীর গতিতে চলাচল করেছে। যাত্রীরা বৃষ্টিতে ভিজে মহাসড়কে অবস্থান করায় যানবাহন আরও ধীরগতির হয়ে পড়েছিল। রাতভর মহাসড়কে গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং থেমে থেমে চলাচল করেছে। সকাল থেকে অনেকটা স্বাভাবিক। যাত্রী এবং যানবাহনের চাপ রয়েছে। আজ দুপুরের মধ্যে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।


