শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে নোয়াখালীর রামগতির একটি চর থেকে নিখোঁজ রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শিবপুর ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
একদিন পর অর্থাৎ শনিবার দুপুরে দৌলতখান উপজেলার মেঘনা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত বিজিবি সদস্য আমজাদ হোসেনের বাড়ি ভোলা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে। তিনি ওই এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় জেলেরা উপজেলার সরকারি দীঘি সংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে দৌলতখান থানা ও হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফখরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজ বিজিবি সদস্যের মরদেহ মেঘনা নদী থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সন্ধ্যার পর বিজিবি সদস্য আমজাদ হোসেন ও রাকিবসহ তারা ৫ বন্ধু মিলে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুরের ‘গরিবের দুবাই’ নামে খ্যাত মেঘনা নদীর তীরে বসে গল্প করছিলেন। এ সময় নদীর তীর সংরক্ষণের জিওব্যাগ ধসে ৫ বন্ধুই নদীতে পড়ে যান। এ সময় ৩ জন জীবিত উদ্ধার হলেও আমজাদ ও রাকিব নামে অপর দুই বন্ধু নিখোঁজ হন। নিখোঁজের দুই দিন পর শুক্রবার রাকিবের এবং শনিবার আমজাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


