বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারে আক্কাস ও দেলোয়ার হোসেনের মালিকানাধীন একটি দোকানঘরে মো. শহিদুল্লাহ ভাড়ায় একটি বেকারি পরিচালনা করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বেকারির গ্যাসের চুলা বা গ্যাস সংযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলোতেও, ফলে একের পর এক দোকান আগুনে পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।তবে তার আগেই বাজারের অন্তত ১৬টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুনে দোকানগুলোর মালামাল, আসবাবপত্র ও ব্যবসায়িক সরঞ্জাম ভস্মীভূত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনে তাঁদের দীর্ঘদিনের ব্যবসার মূলধন পুড়ে গেছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে নতুন করে ব্যবসা শুরু করা তাঁদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হবে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা আমির অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারাও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বেকারির গ্যাসের চুলা বা গ্যাস সংযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।


