শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
28 C
Dhaka
Homeআন্তর্জাতিকযুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে

প্রকাশ: এপ্রিল ১৭, ২০২৬ ৮:৫২

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে লেবাননের সেনাবাহিনী।

দআজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) লেবাননের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু গ্রামে ইসরায়েলি হামলা ও গোলাবর্ষণের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। খবর আলজাজিরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে লেবানন সেনাবাহিনী জানায়, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি আক্রমণ ও বিচ্ছিন্ন গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ হামলাগুলো দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এই ঘটনার ফলে সদ্য ঘোষিত ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আজ ভোর থেকে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতির আওতায় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ট্রাম্প আরও জানান, আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটনে একটি শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হতে পারেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতাদের মধ্যে এটিই হবে প্রথম সরাসরি আলোচনা। ট্রাম্পের মতে, এই যুদ্ধবিরতি মধ্যপ্রাচ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে।

এদিকে সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগেই সাধারণ মানুষ যাতে দক্ষিণ লেবাননের গ্রামগুলোতে ফিরে না যায়, সেজন্য পুনরায় সতর্কবার্তা জারি করেছে সেনাবাহিনী। পোস্টে বলা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ও গ্রামগুলোতে ফেরার ক্ষেত্রে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এর আগে দেওয়া এক সতর্কবার্তাতেও সব ধরনের সংঘাত বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের ঘরবাড়িতে ফিরতে নিষেধ করা হয়েছিল।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ১৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। হামলার এই তীব্রতা যুদ্ধবিরতির শুরুর সময়টাতেও এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে।

এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ইরান, কাতার ও জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশগুলো।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর