বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প নির্দেশ দেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেন, ‘আমি মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি, হরমুজ প্রণালির জলসীমায় কোনো নৌযান- সেটি যতই ছোট হোক না কেন- যদি মাইন বসাতে দেখা যায়, তবে তাদের গুলি করে ধ্বংস করে দিতে হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন যে, এই নির্দেশ বাস্তবায়নে ‘কোনো দ্বিধা করা যাবে না’। এছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর মাইন সুইপারগুলো বর্তমানে হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও পোস্টে দাবি করেন ট্রাম্প।
পৃথক আরেকটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানিরাই জানে না তাদের নেতা কে? পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরান তাদের নেতা কে তা নির্ধারণ করতে খুব কঠিন সময় পার করছে।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তারা জানেই না!’ এবং দাবি করেছেন যে, দেশটিতে ‘কট্টরপন্থি’ ও ‘মধ্যপন্থিদের’ মধ্যে ‘ভয়াবহ!’ অন্তর্দ্বন্দ্ব চলছে। এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজ সেখানে প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারে না।
এদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর আরোপিত টোল থেকে সংগৃহীত প্রথম রাজস্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবাইয়ের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ খবর দিয়েছে।
প্রতিবেদন মতে, তবে কীভাবে এই অর্থ আদায় করা হয়েছে বা কারা এটি পরিশোধ করেছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার। সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে ইরানের দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
সূত্র: বিবিসি


