ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (এসআইআর) অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) তারা দিল্লির যন্তর মন্তরে জমায়েত করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে ও তার আশপাশের এলাকায় ১২ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলোকে।
মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে গত জুলাইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) বিক্ষোভ চলাকালেও এভাবে দিল্লির যন্তর মন্তরে কয়েক দফায় ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল। তিন মাসের ব্যবধানে ফের আন্দোলনের মুখে এমন সিদ্ধান্ত নিলো ভারত সরকার।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, এয়ারটেল, রিল্যায়েন্স জিও এবং ভোডাফোন আইডিয়ার মতো টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে যন্তর মন্তর এবং এর দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দিল্লি সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোটার তালিকায় অনিয়ম এবং গণহারে নাম বাদ দেয়ার অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কয়েকটি রাজনৈতিক দল এবং এআইএসএ, এসএফআই, এনএসইউআই ও অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ করছেন।
পুলিশের বরাতে ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই জানায়, এই বিক্ষোভের জন্য কোনও অনুমতি দেয়া হয়নি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে প্রায় ৭০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে জুলাইয়ে দিল্লির যন্তর মন্তরের আশপাশ ও মধ্য দিল্লির কিছু অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছিল। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) আন্দোলন চলাকালে ওই পদক্ষেপ নেয়া হয়।


