চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের আমন্ত্রণে দেশটিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের দ্বিপক্ষীয় সফরের যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ওই বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা চায় চীন। বাস্তব সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে ইচ্ছুক দেশটি। জবাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ড. খলিলুর রহমান বলেন, চীন সবসময়ই বাংলাদেশের জন্য বিশ্বস্ত ও অপরিহার্য বন্ধু এবং অংশীদার।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’র ঘোর বিরোধিতা করে। অন্যদিকে চীনের তরফ থেকে জানানো হয়, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দেশটি সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
মঙ্গলবার বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সংযোগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ওই বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীন সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব, এক-চীন নীতি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমাইউন কবির এবং রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সফরকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে সম্মান জানাতে ওয়াং ই একটি ভোজসভার আয়োজনও করেন।


