এ অবস্থায় বিএনপির সামনে সবচেয়ে সংবেদনশীল প্রশ্ন হয়ে উঠেছে- নির্বাচনী ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও ডিজিটাল পোস্টারে কার ছবি ব্যবহার করা হবে। কারণ, নির্বাচন আচরণবিধি অনুযায়ী প্রার্থীরা কেবল বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবিই ব্যবহার করতে পারেন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাস্তবতা বদলেছে বলে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা নিতে চায় বিএনপি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার আগেই অনেক প্রার্থী খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত প্রচারসামগ্রী প্রস্তুত করেছেন। এখন সেগুলো ব্যবহারের আইনগত বৈধতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিএনপির নেতারা জানান, শোক কর্মসূচি শেষ হলে দল পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনী কার্যক্রমে নামবে। যদিও শারীরিকভাবে অনুপস্থিত, তবু খালেদা জিয়াই এবারের নির্বাচনী প্রচারের আবেগ ও বার্তার কেন্দ্রে থাকবেন। তাঁর জানাজা ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিকে জনসমর্থনে রূপ দেওয়ার কৌশল নিচ্ছে দল।
ইতিমধ্যে নির্বাচন পরিচালনায় ৪১ সদস্যের কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শতাধিক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়ানো বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ। এরই মধ্যে কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারে নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, মানুষের প্রত্যাশা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি ধাপে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছে দল। সময়মতো চেয়ারম্যান পদ ও প্রচারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন নেতারা।


