আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভোটার ভেরিফিকেশন এবং ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং প্রকল্পের পরিচালক ড. সালীম আহমাদ খান এনটিভি অনলাইনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সালীম আহমাদ খান জানান, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে ব্যালট পৌঁছানোর সংখ্যা ছিল ৫৫ হাজার ৩৪১টি, যা শুক্রবার নাগাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৩টিতে। অর্থাৎ মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ৮৪ হাজার ৪২২টি ব্যালট দেশে এসেছে। বর্তমানে এগুলো তেজগাঁও ডাক বিভাগের মেইলিং সেন্টারে সংরক্ষিত রয়েছে।
সালীম আহমাদ খান আরও জানান, যেসব প্রবাসী ভোটার নিবন্ধিত হয়েছিলেন, তাদের দেওয়া ঠিকানায় সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস যোগাযোগ করেও কাউকে পায়নি। ফলে ১১ হাজার ২২৬টি ব্যালট অব্যবহৃত অবস্থায় ফেরত এসেছে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর দেওয়া তথ্যমতে, প্রতিটি পোস্টাল ব্যালট বাবদ সরকারের খরচ প্রায় ৭০০ টাকা। সে হিসাবে এই ফেরত আসা ব্যালটগুলোর কারণে সরকারের প্রায় ৭৮ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রবাসীদের জন্য মোট ৭ লাখ ৬৭ হাজার ১৮৮টি পোস্টাল ব্যালট বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৬৭টি ব্যালট ভোটারের হাতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোট সম্পন্ন করার পর ৪ লাখ ৭ হাজার ১ জন প্রবাসী ইতিমধ্যে ডাকযোগে ব্যালট ফেরত পাঠিয়েছেন, যা ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাচ্ছে।
এবার দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ জন প্রবাসী।


