গতকাল শনিবার(৩১ জানুয়ারি) বিকেলে নাজিরহাটে আয়োজিত এই গণমিছিলটি নাজিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে নাজিরহাট বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঝংকার মোড়ে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে, পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী দাওয়াহ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শাফি, শিবির নেতা খুররাম মুরাদ ও ফাহিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা নাগরিক পার্টির সমন্বয়ক একরামুল হক, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতের আমির নাজিম উদ্দীন ইমু, সেক্রেটারি মাওলানা ইউছুপ বিন সিরাজ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি গাজী বেলাল উদ্দিন, নাজিরহাট পৌর সভাপতি বায়েজিদ হাসান মুরাদ, সেক্রেটারি শামসুল আরেফিন আরিফসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মিছিল চলাকালে “ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ চাই”, “ফটিকছড়ির উন্নয়নে সৎ নেতৃত্ব চাই”—এমন নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন,আমি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের অধিকার ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করি। ফটিকছড়িবাসীর মৌলিক অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান অঙ্গীকার। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ফটিকছড়ির মানুষ অবহেলিত। উন্নয়নের নামে হয়েছে লুটপাট, উপেক্ষিত থেকেছে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর।
আল্লাহ যদি আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তবে নাজিরহাট ও ফটিকছড়ি পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলব এবং এই জনপদকে একটি আদর্শ, দুর্নীতিমুক্ত ফটিকছড়িতে রূপান্তর করব।”
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতার রাজনীতিতে নয়, বরং সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। জনগণের আমানত রক্ষা করাই তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও নৈতিক দায়িত্ব।
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতা। তাঁর নেতৃত্বে ফটিকছড়িতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


