আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এই অলিম্পিক কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেনাপ্রধান ও বিওএ’র সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
ঢাকা থেকে প্রায় ৮৬ কিলোমিটার এবং ময়মনসিংহ শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে বিশাল এই অলিম্পিক কমপ্লেক্সের অবস্থান। সেনাবাহিনীর ১৭৩.২ একর জায়গায় এটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমপ্লেক্সে যাতায়াতের জন্য আরো ৯ একর জায়গা সেনাবাহিনী নিজ অর্থায়নে কিনেছে।
অলিম্পিক কমপ্লেক্সের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনে প্রকল্প পরিচালক কর্ণেল মো. কুতুবউদ্দিন মাস্টারপ্ল্যান প্রদর্শন করেন। ফুটবল, হকি, টেনিস, অ্যাথলেটিক্স, আবাসন, মিডিয়া সেন্টার, পার্কিং, শুটিংসহ সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। ইনডোর, আউটডোর মিলিয়ে এই কমপ্লেক্সে আয়োজন করা যাবে ৩৩টি খেলা। ক্রিকেট, গলফ, রোইং এর মতো হাতে গোণা কয়েকটি খেলাই শুধু বাদ থাকছে। যদিও সেনাপ্রধান ক্রিকেট নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ফলে, মূল নকশায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হবে, মিলেছে এমন আভাসই।
প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা দিয়ে শুরু হলেও এর প্রকল্প ব্যয় অনেক। সম্ভাব্য ব্যয় ও সময়সীমা নিয়ে স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রকল্প ১ (একটি ইনডোর স্টেডিয়াম, জমি উন্নয়ন ও অন্যান্য) করতে ২ হাজার কোটি টাকা লাগবে। সেটা হতে ২ থেকে আড়াই বছর লাগবে। পুরো মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করতে ৩৪-৩৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে। পরবর্তী সরকার এটি গুরুত্ব দিলে এবং অর্থ একসঙ্গে পাওয়া গেলে ৫-৬ বছরে কাজ শেষ করা সম্ভব হতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী। তারা ফ্যাসিলিটিজ পায় না। কাজ শুরু হলে শেষ হবে। শাটল ট্রেন হলে এখানে যাতায়াতে আরও সুবিধা হবে। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট এখানে হবে। জাতীয় প্রতিযোগিতাও হবে। অন্য সময়ে সেনাবাহিনী অনুশীলন করবে। অলিম্পিক এসোসিয়েশন ও আর্মির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে শিগগিরই।


