শনিবার (২৮ মার্চ) সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ‘শক্তিশালী হামলার’ মুখে মার্কিন বাহিনী তাদের ঘাঁটি ত্যাগ করে বাইরে দুটি স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। এর মধ্যে প্রথম আশ্রয়স্থলটি দুবাইয়ে অবস্থিত, যেখানে ৪০০-র বেশি সেনা সদস্য অবস্থান করছিলেন। আর দ্বিতীয় স্থানটিতে ১০০-র বেশি সদস্য ছিলেন।
উভয় স্থানেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। মুখপাত্র জানান, এই হামলায় ‘অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পর কয়েক ঘণ্টা ধরে অ্যাম্বুলেন্সে করে মার্কিন সেনা ও কমান্ডারদের সরিয়ে নেয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মার্কিন সামরিক কমান্ডারদের সতর্ক করে জানানো হচ্ছে, এই অঞ্চল ‘মার্কিন সেনাদের কবরস্থানে’ পরিণত হবে। আত্মসমর্পণই এখন তাদের সামনে একমাত্র বিকল্প।
এ ছাড়া পারস্য উপসাগরের জলসীমায় আইআরজিসি অন্তত ছয়টি মার্কিন কৌশলগত নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলেও এই বার্তায় জানানো হয়। এসব হামলায় বহু মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। এক্ষেত্রেও হতাহতের সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র: প্রেস টিভি


