বাংলাদেশে কমিউনিটি গাইডলাইন ভঙ্গের কারণে মোট ১ কোটি ৫৩ লাখ ৯২ হাজার ১২৯টি ভিডিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৯.৯ শতাংশ কনটেন্ট আগে থেকেই চিহ্নিত করে অপসারণ করা হয় এবং ৯৮.৪ শতাংশ ভিডিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সরানো হয়েছে।
টিকটকের তথ্য অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক কনটেন্ট মডারেশন সিস্টেম আরও উন্নত হওয়ায় অনেক ভিডিও প্রকাশের আগেই সরিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো আপত্তিকর কনটেন্ট শনাক্ত করতেও সিস্টেমটি বেশি কার্যকর হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী একই সময়ে টিকটক মোট ১৭ কোটি ৫৩ লাখের বেশি ভিডিও অপসারণ করেছে, যা মোট আপলোডকৃত কনটেন্টের প্রায় ০.৫ শতাংশ। এর মধ্যে ১৫ কোটি ২৫ লাখের বেশি ভিডিও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়।
এছাড়া প্ল্যাটফর্মটি ১৪ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট এবং ১৩ বছরের নিচে সন্দেহভাজন ২ কোটি ৩৮ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট অপসারণ করেছে। একই সময়ে বিপুল সংখ্যক ভুয়া লাইক ও ফলোয়ারও সরানো হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়, সরানো ভিডিওগুলোর মধ্যে ২১.২ শতাংশ ছিল সংবেদনশীল বা প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়বস্তু, ৯.১ শতাংশ নিরাপত্তা নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে, ১.২ শতাংশ গোপনীয়তা সংক্রান্ত নিয়ম ভেঙেছে, ১.৬ শতাংশ ভুল তথ্য এবং ১.৮ শতাংশ এআই-জেনারেটেড বা এডিট করা কনটেন্ট ছিল।
টিকটক জানিয়েছে, প্ল্যাটফর্মের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়, যা ব্যবহারকারী ও নীতিনির্ধারকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।


