আজ রোববার (১০ মে) আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ফলে পাঁচ মামলায় আইভীর জামিন বহাল রইল।
এই আদেশের ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মোট ১২ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর মধ্যে ৭টির এজাহারে তাঁর নাম নেই। এক বছর পার হলেও তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।
গত বছরের ৯ মে ভোর ৩টার দিকে শহরের দেওভোগ এলাকায় অবস্থিত চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তাকে হাইকোর্ট ৫ মামলায় জামিন দেন। এরপর আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়।
১৮ নভেম্বর তাকে আরও ৫ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৬ ফেব্রুয়ারি জামিন দেন।
পাঁচ মামলার মধ্যে চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সেগুলো হলো ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা ও পারভেজ হত্যা মামলা।
হামলা ও সরকারি কাজো বাধা দেওয়ার দেওয়ার অভিযোগে অপর মামলাটি হয়েছে সদর মডেল থানায়।
এরপর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেন। গত ৫ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া জামিনাদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে পাঠান। এরমধ্যে আরও দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সেগুলোতে তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।


