মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনের এক ফাঁকে নিজ কার্যালয়ে পাহাড়ি কন্যা ঋতুপর্ণা চাকমার হাতে অনুদানের চেক তুলে দেয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিজাউল করিম প্রমুখ।
ঋতুপর্ণা চাকমার বাড়ি রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার মঘাইছড়ি দুর্গম গ্রামে। সেখানে যাওয়ার মতো নেই কোনও সড়ক পথ। তার মা দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসার আক্রান্ত। ২০২৫ সালে ঋতুপর্ণা চাকমার ক্যানসার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য পাশে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।
বাংলাদেশ ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ঋতুপর্ণা চাকমা ২০২২ ও ২০২৪ সালে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে তিনি ছিলেন দলের অন্যতম ভরসা। এছাড়া ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়ার অভিযানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিজাউল করিম বলেন, পার্বত্য এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধ থাকায় ঋতুপর্ণা চাকমার জন্য ভূমি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বিধায় ভূমি কেনা বা গৃহনির্মাণের জন্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে তার জন্য ২০ লাখ টাকার চেক প্রধানমন্ত্রীর
মাধ্যমে তুলে দেয়া হয়েছে। এই সহায়তার মাধ্যমে তার পাশে থাকার সুযোগ পেলো জেলা পরিষদ।
এ বিষয়ে টানা দুইবার সাফজয়ী ঋতুপর্ণা চাকমা বলেন, জমি ও বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী আমাকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। এতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমি ও আমার পরিবার কৃতজ্ঞ। তিনি আরও বলেন ২০২৪ সালে সাফ জয়ের পর বিসিবি থেকে আমাকে বাড়ি নির্মাণের আশ্বাস দিলেও এর কোন খোঁজ নেই।
সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার মা কালাসোনা চাকমা বলেন, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সরকার যে ঘর নির্মাণের জন্য সহায়তা দিয়েছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি খুবই খুশি হয়েছি। আশা করছি সরকার ভবিষ্যতে সব সময় আমার মেয়ের পাশে থাকবে।


