মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
32.6 C
Dhaka
Homeজীবনযাপনজেনেনিন গভীর ঘুমের সহজ ৮ টি উপায়

জেনেনিন গভীর ঘুমের সহজ ৮ টি উপায়

প্রকাশ: জুন ১৬, ২০২৬ ৭:০৫

অনেকেই আছেন রাতে বিছানায় দীর্ঘসময় শুয়ে থাকার পরও শত চেষ্টায়ও কিছুতেই ঘুম আসে না। এপাশ-ওপাশ করতে করতেই রাত কেটে যায়।

কখনো ঘুম এলেও কিছুক্ষণ পর বা মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে দেখা যায়, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ক্লান্ত ও দুর্বল লাগে। এসব সমস্যায় অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

আধুনিক জীবনে কর্মব্যস্ততা, অনিয়মিত খাবার খাওয়া, রাত জাগা, ডিজিটাইল ডিভাইসে সময় কাটানো এবং মানসিক চাপ―সবকিছু মিলে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে থাকে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাতে ভালো ঘুমের ব্যাপারে কয়েকটি উপায় জানিয়েছেন এমস প্রশিক্ষিত ক্যালিফোর্নিয়া নিবাসী চিকিৎসক সৌরভ শেঠি। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক-

১. রাতে ঘুমানোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে সব খাওয়া-দাওয়া শেষ করার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. সৌরভ শেঠি। রাতে ঘুমের সময় শরীর ও হজমতন্ত্র সংস্কার কাজ শুরু করে। খুব দেরিতে খাওয়া হলে তখনও হজমের কাজ চালিয়ে যেতে হয়। এ কারণে ঘুমের মান খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

২. ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা আরামদায়ক রাখতে হবে। গরমের সময় ঘর ঠান্ডা রাখলে ঘুম ভালো হয়। ঘুমের সময় শরীরের তাপমাত্রা কম থাকা উচিত, তা না হলে ঘুম আসবে না।

৩. সকাল সকাল সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসতে হবে। এতে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈব ঘড়ির ছন্দ স্বাভাবিক থাকবে। ফলে রাতে নির্দিষ্ট সময় ঘুম আসতে পারে।

৪. অনেকেই ঘুম না হলেও দীর্ঘসময় বিছানায় পড়ে থাকেন। এমনটা মোটেও ঠিক নয়। এতে মস্তিষ্ক বিছানাকে ঘুমের পরিবর্তে জাগরণের পরিসর হিসেবে শনাক্ত করতে থাকে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ, ঘুম না এলে বিছানা থেকে ওঠে শান্তভাবে কোনো কাজ করতে থাকুন, তারপর যখন ঘুম আসে চোখে, তখন বিছানায় শুয়ে পড়ুন।

৫. কেউ কেউ মনে করেন, মদ্যপান করলে দ্রুত ঘুম আসে। এটি ঠিক নয়, এতে ঘুমের মান নষ্ট হয়। এতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ক্লান্ত লাগতে পারে। অ্যালকোহল সেবনের পরিমাণ কম হলে ধীরে ধীরে ঘুম আসতে পারে।

৬. ঘুমানোর প্রায় ঘণ্টাখানেক আগে হালকা গরম পানি দিয়ে শরীর ধুয়ে নিলে ঘুম গভীর হয়ে থাকে। এতে শরীরের তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। এই তাপমাত্রা কমা মস্তিষ্ককে ঘুমের সংকেত প্রদান করে।

৭. ঘুমের সময় ঘরের সব আলো বন্ধ করে দিন। তা না হলে শরীরে মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদন কমে যাবে। ঘরে বা রুমে আলো থাকলে মস্তিষ্ক ভাবতে থাকবে, এখনো ঘুমের সময় হয়নি।

৮. শোয়ার সময় বিছানার পাশে মোবাইল ফোন রাখা উচিত নয়। অনেকেরই অভ্যাস, কিছুক্ষণ পরপর ফোন হাতে নিয়ে দেখা। এতে নীল আলো এবং মেজাজ খিটখিটে হয়। ফোনে অ্যালার্ম দেয়াও ঠিক নয়। অ্যালার্ম দেয়ার জন্য আলাদা ঘড়ি ব্যবহার করা ভালো, এতে অন্তত ফোন দূরে থাকবে। এছাড়া ঘুমে ব্যাঘাত বা কোনো কারণে নিয়মিত যদি ঘুম খারাপ হতে থাকে, তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর