ফুটবল বিশ্বে বাড়ছে কৌতূহল ও আলোচনা, কারণ শিরোপার পথে এখন আগের চেয়ে আরও দীর্ঘ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পথ পাড়ি দিতে হবে দলগুলোকে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ১২টি গ্রুপের প্রতিটি থেকে শীর্ষ দু’দল সরাসরি জায়গা করে নেবে নকআউট পর্বে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে আরও আটটি দল, যারা নিজেদের গ্রুপে তৃতীয় হলেও সেরা পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে জায়গা পাবে পরবর্তী রাউন্ডে। সব মিলিয়ে ৩২টি দল নিয়ে শুরু হবে এই নতুন নকআউট ধাপ, যেখানে প্রতিটি ম্যাচই হবে এক ম্যাচের ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই।
এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনাসহ মোট ছয়টি দল এই পর্বে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করেছে। অন্য দলগুলো হলো মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স ও নরওয়ে। তবে বাকি ২৬টির ভাগ্য এখনো নির্ধারিত হয়নি, কারণ গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্ত হবে না।
সূচি অনুযায়ী, ‘রাউন্ড অব ৩২’ এর ম্যাচগুলো মাঠে গড়াবে ২৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই নির্ধারিত হবে শেষ ষোলোর (রাউন্ড অব ১৬) টিকিট। প্রতিটি ম্যাচেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল না এলে খেলা গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে, আর সেখানেও সমতা থাকলে টাইব্রেকার পেনাল্টিতে নির্ধারিত হবে বিজয়ী।
গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পরই পুরো নকআউট পর্বের পূর্ণাঙ্গ সূচি ও ম্যাচআপ চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করবে ফিফা। ফলে এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না কোন দলের প্রতিপক্ষ কে হবে। তবে সম্ভাব্য সমীকরণে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী দলগুলোর সম্ভাব্য মুখোমুখি লড়াই নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের মধ্যে।
বিশ্বকাপের এই নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে একবার নকআউট পর্বে প্রবেশ করলেই আর ভুলের কোনো সুযোগ থাকবে না, এমন বাস্তবতা ২০২৬ বিশ্বকাপকে আগের যেকোনো আসরের তুলনায় আরও নাটকীয় ও অনিশ্চিত করে তুলবে।


