বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
27 C
Dhaka
Homeজাতীয়বরখাস্ত করা হলো চার পুলিশ কর্মকর্তাকে

বরখাস্ত করা হলো চার পুলিশ কর্মকর্তাকে

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৮:৫৯

কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আওয়ামী আমলের দাপুটে চার পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপনে এ বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- ডিএমপি ডিবির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সঞ্জিত কুমার রায়, ডিএমপির সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মানস কুমার পোদ্দার, সাবেক রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজ আল ফারুক।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সঞ্জিত কুমার রায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে চরম অবহেলা, সরকারি আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

মানস কুমার পোদ্দারের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধেও অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

রংপুরের সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ছুটি শেষে ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কর্মস্থলে যোগ দেননি। এরপর অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধেও চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা ও তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের ভিত্তিতে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর