শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোনার কেন্দুয়া পাবলিক হল মিলনায়তনে রফিক হিলালী ইংলিশ এক্সিলেন্স প্রোগ্রামের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস ও এসএসসি-দাখিল কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ২৫ কোটি টাকা করার জন্য পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’
ইয়াসের খান চৌধুরী আশা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুতই এর সুফল সারা দেশের সাংবাদিকরা পাবেন।
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অপসাংবাদিকতা ও ইয়োলো জার্নালিজম কমাতে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পিআইবির মাধ্যমে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতার যে স্বাধীনতা আছে, সেটা অব্যাহত থাকবে। এখন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে। এই স্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের বাকস্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার কোনো উদ্যোগ সরকার নেবে না। সাংবাদিকরা ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে নির্বিঘ্নে কাজ করবেন।’
প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে গণমাধ্যমের মান বজায় রাখা এবং জনগণকে সঠিক সংবাদ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে ইয়োলো জার্নালিজম বন্ধেও সরকার কাজ করছে।’
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিডিয়া কন্ট্রোল করার মতো কোনো পদক্ষেপ নেয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে কাজ করতে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।’
সাংবাদিকদের ভয় না পাওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কাজ করতে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। এটা একটি গণতান্ত্রিক সরকার। সাংবাদিকরা নির্বিঘ্নে কাজ করবেন। ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে আপনারা কাজ করবেন। আমরা মিডিয়া কন্ট্রোল করছি না, করবও না।’
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে।’


