শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
26 C
Dhaka
Homeজাতীয়বন্ধ শিল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ স্কিম চালু

বন্ধ শিল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ স্কিম চালু

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ৮:৫৬

বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এই স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও রাখা হয়েছে ঋণগ্রহীতাদের জন্য।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় ব্যাংকগুলোকে অর্থায়নের মাধ্যমে বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়ন দেওয়া হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। তবে, প্রাক-অর্থায়ন নেওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এ সুদ পরিশোধ করতে হবে না। ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংককে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সুদ পরিশোধ করতে হবে। প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে এ সময়।

অন্যদিকে, নতুন এ স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের যে ঋণ দেবে, তার সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ঋণগ্রহীতাদের জন্যও ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস গ্রাহকের কাছ থেকে সুদ আদায় করা যাবে না। ছয় মাস শেষ হওয়ার পর সুদ আদায় শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রেও প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদ আদায়ের আওতায় থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, তহবিলের প্রাপ্যতা থাকা সাপেক্ষে স্কিমটির মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করা যাবে। অর্থাৎ স্কিমের আওতায় সুবিধা নিতে আগ্রহী ব্যাংকগুলো তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রাক-অর্থায়নের আবেদন করতে পারবে।

স্কিমের আওতায় দেওয়া অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, ঋণ আদায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের তদারকির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়নের অর্থ নির্ধারিত কাজে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ঋণের ব্যবহার ও আদায় পরিস্থিতি তদারক করতে হবে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত নিয়মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাব নিষ্পত্তি করতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে দেওয়া নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর