রোববার (১১ অক্টোবর) সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউরেনিয়ামের এই চালান প্রকল্প এলাকায় নেয়া হয়।
এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য দ্বিতীয় দফার বাড়তি পারমাণবিক জ্বালানিবাহী রুশ কার্গোটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
তারও আগে গত ২ অক্টোবর দেশে পৌঁছায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য জ্বালানিবাহী বিমান। রাশিয়া থেকে রওনা হওয়ার পর ইউরেনিয়ামবাহী বিমানটি ভারত হয়ে ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এ নিয়ে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য দুই দফায় মোট ৪৮ বান্ডেল বাড়তি জ্বালানি আনা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ- বায়েরা। এরপর রোববার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন জানান, দুপুর ৩টা ৩৪ মিনিটে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত সব প্যারামিটার চাহিদা অনুযায়ী মাত্রায় আছে। বিকিরণের মাত্রা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।
এই কেন্দ্রের চুল্লির মডেল তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর ১২০০ মডেলের, যেখানে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের শেষদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা।


