শুক্রবার (১০ জুলাই) এ রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেই এ মামলায় জেলে পাঠানো হয়েছিল তাকে। প্রায় ১৫ বছর আগে নেয়া একটি ঋণ এবং সেটি পরিশোধে অনিয়মের জন্য আদালতের নির্দেশে আত্মসমপর্ণ করেছিলেন তিনি।
এদিন হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দিল্লি হাইকোর্ট অভিনেতার সাজা বহাল রাখলেও কারাদণ্ড ছয় মাস থেকে কমিয়ে তিন মাস করেছে। বিচারপতি স্বর্ণা কান্ত শর্মার বেঞ্চ অপরাধী প্রবেশন আইনের অধীনে প্রবেশনের সুবিধা চেয়ে অভিনেতার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।
আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে, মামলাটি চলাকালীন আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের সুযোগ-সুবিধার অধিকারী নন তিনি। আদালতের মতে, রাজপাল যাদব পাওনা অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার সেই অঙ্গীকার অমান্য করেছেন।
জানা গেছে, ২০১০ সালে রাজপাল যাদব নিজ পরিচালনায় প্রথম সিনেমা ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য ৫ কোটি রুপি ঋণ নেন। সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় ঋণ পরিশোধে জটিলতা দেখা দেয়। পরবর্তীতে সাতটি চেক বাউন্স হওয়ায় ২০১৮ সালে অভিনেতা ও তার স্ত্রী রাধা যাদবকে আদালত দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়।
দীর্ঘ আইনি লড়াই চলার পর ২০২৪ সালে দিল্লি হাইকোর্ট সাময়িকভাবে সাজা স্থগিত করেন, তবে বকেয়া পরিশোধে ‘সৎ ও আন্তরিক’ উদ্যোগ দেখাতে উৎসাহিত করা হয়। তখন সব মিলিয়ে ঋণের পরিমাণ প্রায় ৯ কোটি রুপিতে দাঁড়ায়। ২০২৫ সালে কিছু অর্থ পরিশোধ করা হলেও বাকি অর্থ শোধ করা হয়নি।
এরপর চলতি বছরের শুরুতে আদালতে শেষবার আবেদন করেও অভিনেতা কারাদণ্ড থেকে মুক্তি পাননি। ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তিনি তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন এবং ছয় মাসের সাজা কার্যকর হয়। পরে ১৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লি উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান অভিনেতা।


