আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশর ইশতেহার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়।
ইশতেহারে ‘বেকারত্বের অবসান, মেধা-যোগ্যতার সংস্থান’ শীর্ষক খণ্ডে বলা হয়,
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা বেকারত্ব দূর করে প্রতিটি যুবকের জন্য সম্মানজনক ও নিরাপদ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রায় সাত কোটি কর্মক্ষম যুবকের জন্য দুই ভাগে কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে (দেশের ভেতরে ও বাইরে)।
- ‘দক্ষতা’ প্রকল্পের মাধ্যমে জেলাভিত্তিক হিউম্যান স্কিল ডেভেলপমেন্ট গঠন করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হবে। এর জন্য সব খরচ সরকারি ব্যবস্থাপনায় করা হবে।
- দেশের ভেতরে অর্থনীতি বৈচিত্র্যের মাধ্যমে নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য পলিসি প্রস্তুত করা হবে। বিদ্যমান শিল্পের পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সিড ক্যাপিটাল ফান্ড গঠন, ইনোভেশন ইনকিউবেটর তৈরি, কৃষি পণ্য প্রসেসিং শিল্পে সহায়তা, আউট সোর্সিং কাজের প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সারদের প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেট ও সহজে অর্থ লেনদেনের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ডাবল ডিজিট বেকারত্বের হারকে সিংগেল ডিজিটে রূপান্তর করা হবে।
- কর্মক্ষম প্রতিটি নাগরিকের যথাযথ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, চাকরি এবং বিদেশ কর্মসংস্থানের তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি জাতীয় ওয়ার্কফোর্স ডাটাবেস তৈরি করা হবে।
- বিদেশে গমনেচ্ছু বেকার জনশক্তির জন্য নতুন বাজার অন্বেষণ, যথাযথ কারিগরি প্রশিক্ষণ, কম খরচে বিদেশ যাত্রার জন্য আন্তঃসরকার চুক্তি, বিদেশে যেতে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে বছরে ৫০ লাখ যুবকের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
- নারীদের সম্মান রক্ষা করে নিরাপদে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। মাতৃত্বকালীন সময়ে মায়েদের সম্মতি সাপেক্ষে কর্মঘণ্টা পাঁচে নামিয়ে আনা হবে।
- সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য ফি নেওয়ার রীতি বাতিল করা হবে।
- চাকরির বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ বন্ধ করা হবে।
- দ্রুত সময়ে নিয়োগ সম্পন্ন করতে কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিশেষায়িত ক্যাডারগুলোর পরীক্ষা পৃথক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
- ব্যবসায়ী সমাজের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনঃনির্ধারণ করা হবে।


