সম্প্রতি এই রায় দিয়েছেন আইসিসি এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো।
তিনি বলেছেন, এমসিজি পিচ বোলারদের বাড়াবাড়ি রকমের সহায়তা করেছে। প্রথম দিন ২০ উইকেট, দ্বিতীয় দিন ১৬, কোনো ব্যাটার হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেনি। গাইডলাইন অনুযায়ী পিচ ছিল অসন্তোষজনক। ভেন্যুকে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেল।
এদিকে মেলবোর্ন টেস্টে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বক্সিং ডে টেস্টে নাকি সিএ’র ২৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার লোকসান হয়েছে! বাংলাদেশি মুদ্রায় মেলবোর্নে হওয়া একটি টেস্টেই অস্ট্রেলিয়ার হাতছাড়া হয়েছে ২০৪ কোটি ৮০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।
এ নিয়ে চলমান অ্যাশেজে চার টেস্টের দুটিই শেষ হয়েছে স্রেফ দুই দিনের মাথায়। এত দ্রুত টেস্ট ম্যাচের ফলাফল নির্ধারিত হওয়ায় সিএ’র প্রতি যেমন আইসিসির তীর তাক করে আছে, তেমনি সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানসহ সকল স্টেকহোল্ডাররাও ক্রুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাতে যাচ্ছে।
মেলবোর্নের এই পিচ নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান গ্রিনবার্গ বলেন, সমর্থক হিসেবে সমর্থকরা এই ধরনের ম্যাচ দেখতে চায়। আমাদের দাবি হচ্ছে টেস্ট ক্রিকেট আরও বেশি দিন চলুক। অল্প সময়ের টেস্ট ব্যবসার জন্য খুবই খারাপ। ব্যাট এবং বলের মধ্যে আরও ভারসাম্য রাখা দরকার। প্রথমদিন বোলাররা বেশি সুবিধা পেয়েছে। তবে ব্যাটারদেরও আরও ধৈর্য নিয়ে খেলা দরকার ছিল।
‘সব দোষ পিচের ওপর দিলে চলবে না। আর আমরা পিচের প্রস্তুতি নিয়ে কোনো কথা বলি না। পিচ নির্মাতাদের নিজের মতো পিচ তৈরি করার অনুমতি দেওয়া আছে। বাণিজ্যিকভাবে ক্রিকেট খেলার ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তাতে পিচের দিকে নজর না দিয়ে উপায় নেই। এমন নয় যে আমরা মাঠকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে নির্দেশ দেব। কিন্তু ওরা কী করছে তার দিকে নজর থাকবে। আমরা কী প্রত্যাশা করছি সেটা বুঝিয়ে দেওয়া দরকার’
অন্যদিকে, তৃতীয় দিন থেকে প্রচণ্ড গরম পড়ার শঙ্কায় এবার মেলবোর্নে ১০ মিলিমিটার ঘাস রাখা হয়েছিল। কিন্তু খেলায় পিচের আচরণ দেখে পিচ কিউরেটর পেজ নিজেও অবাক হয়েছেন।


