রবিবার, মে ১০, ২০২৬
রবিবার, মে ১০, ২০২৬
34 C
Dhaka
Homeবিচিত্র‘ব্রহ্মময়ী কালীমন্দির’ রক্ষায় সরকারের উদ্যোগ

‘ব্রহ্মময়ী কালীমন্দির’ রক্ষায় সরকারের উদ্যোগ

প্রকাশ: মে ১০, ২০২৬ ৯:৫৪

যশোরের কেশবপুর উপজেলার চালিতাবাড়ীয়া শ্রীরামপুর গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘ব্রহ্মময়ী কালীমন্দির’ রক্ষায় অবশেষে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে যাওয়া প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো এই মন্দিরটি রক্ষায় সরজমিন পরিদর্শন করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

গত ২৬ এপ্রিল এনটিভি অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদ ও স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাচীন বাংলার লাল ইটের নিপুণ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই মন্দিরটি একসময় এ অঞ্চলের ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র ছিল। তবে বর্তমানে এটি পরগাছা আর বড় বড় গাছের শিকড়ে ঢেকে গেছে। দেয়ালের ইট খসে পড়ছে এবং ছাদসহ অভ্যন্তরীণ কাঠামো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মন্দিরটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয় সম্প্রতি এটি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়।

খুলনা আঞ্চলিক পরিচালক মো. মহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত শনিবার (৯ মে) মন্দিরটি পরিদর্শনে আসেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান মো. হাসানুজ্জামান। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী, নির্মাণকাল এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে মো. হাসানুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে মন্দিরটির কাঠামো ও প্রাচীনত্বের যে ছাপ দেখা যাচ্ছে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা মন্দিরের বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা এবং এর ঐতিহাসিক বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে সচিত্র তথ্য সংগ্রহ করেছি। খুব দ্রুতই বিস্তারিত প্রতিবেদন আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হবে।

কেশবপুর অঞ্চলটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ উল্লেখ করে হাসানুজ্জামান আরও জানান, মন্দিরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব যথাযথভাবে প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী এটি সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশের এই অমূল্য সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যগুলোকে আগামী প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখা।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর