আজ মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হয়েছে। অনেকের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হয়নি। কিন্তু তাদের কবর পরিদর্শন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তদন্ত সংস্থার লোকজন কথা বলেছে। আসামিদের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আসামি ৩০ এর নিচে হবে না। আর এরই মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার আছেন। সাবেক সরকার প্রধান থেকে শুরু করে তৎকালীন পুলিশ প্রধান, পুলিশ কমিশনারসহ আওয়ামী লীগের অনেকেই ওই ঘটনায় জড়িত। তদন্ত প্রায় ৯০ ভাগ সমাপ্ত হয়ে গেছে। আশা করছি, আগামী ৭ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পারব।
শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তিনি জড়িত ছিলেন, উপস্থিত ছিলেন। তার সম্পৃক্ততা আছে।
মামলায় কী কী সাক্ষ্য প্রমাণ মিলেছে এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। হেফাজতে ইসলামের সদস্যরা যারা খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও আমরা নিয়েছি। সবমিলিয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য আমরা পেয়েছি।
সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হবে কি না জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমরা একটি তদন্তের মধ্যে পেয়েছি যে, তিনি ঘটনার সময় দেশের বাইরে ছিলেন। যদি তিনি দেশের বাইরে থাকেন, সেটাও আমরা পর্যালোচনা করে দেখছি। সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসেবলিটি থাকলে বিষয়টিও দেখা হবে।


