সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএ) বিমানকে
এই অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। খবর সামা টিভির।
পাকিস্তানের এই সংবাদমাধ্যম ঢাকা-করাচি ফ্লাইটকে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের একটি ব্রেকথ্রু হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা বলেছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে আকাশ সংযোগের ক্ষেত্রে নতুন বছরে এটি নতুন এক অধ্যায়।
প্রাথমিকভাবে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা-করাচি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পরে মেয়াদ বাড়তে পারে। নতুন অনুমোদন অনুযায়ী, বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স অনুমোদিত রুটের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমাও ব্যবহার করতে পারবে।
অনুমোদনের পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে করাচি বিমানবন্দরে আলাদা একটি স্লট প্রদান করা হয়েছে। ঢাকা থেকে বিমান উড্ডয়নের আগে করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ফ্লাইটের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে। সঙ্গে অপারেশনাল সমন্বয় এবং নিরাপত্তা সম্মতির বিষয়গুলোও নিশ্চিত করতে হবে ।
পাকিস্তানের বিমান চলাচল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা উভয় দেশের জনগণের জন্য লাভজনক হবে। এ ছাড়া বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও পিপল-টু-পিপল সম্পর্কোন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখতে পারে এই ফ্লাইট।
এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতকালে চলতি মাস থেকেই ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।


