বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬
বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬
31.3 C
Dhaka
Homeআন্তর্জাতিকভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৭,সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ শ্রীলঙ্কায়

ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৭,সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ শ্রীলঙ্কায়

প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১০:৩৩

টানা ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে শ্রীলঙ্কায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্যোগে দেশটির মধ্যাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতির কারণে ওই অঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড়ি চা-বাগান অধ্যুষিত এলাকায় প্রবল বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। গত বছরের নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহে বিধ্বস্ত হওয়ার পরও অঞ্চলটি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারেনি।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র প্রদীপ কোডিপ্পিলি জানান, মধ্যাঞ্চলে ভূমিধসে দুটি বাড়ি চাপা পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বন্যার পানিতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বৃষ্টি ও বন্যায় ১২৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় টেলিভিশনের প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সেনাসদস্যরা পানিতে তলিয়ে যাওয়া সড়ক পেরিয়ে আটকে পড়া পরিবারগুলোকে উদ্ধার করছেন।

নুওয়ারা এলিয়া ও বাদুল্লাসহ শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পাহাড়ি হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সেখানে প্রায়ই ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হয়।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহের প্রভাবে একই এলাকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ৬৪০ জনের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ৪১০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সে সময়ও দেশজুড়ে স্কুল ও সরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

সেই ঘটনার মাত্র নয় মাসের মাথায় আবারও ভয়াবহ দুর্যোগে শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতার ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কবে খুলবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর