মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস টিভি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময় আলিরেজা এলহামি আরও বলেন, ইরান তাদের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি ও মোতায়েন করছে। কিছু ক্ষেত্রে যুদ্ধের সময় শত্রু বাহিনীও জানত না, ইরানের কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের বিমানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে আত্মনির্ভরতার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।
এদিকে ইরানজুড়ে ৩ হাজার ৮০০টির বেশি স্থানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে বলে একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপসমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেকিয়ান। তিনি আরও বলেছেন, মোতায়েনকৃত প্রতরক্ষা ব্যবস্থার অনেকগুলোই দুর্গম এলাকায় অবস্থিত।
মোহাম্মদ সাদেকিয়ান বলেন, দেশজুড়ে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চারটি প্রধান মিশন পরিচালনা করে। এগুলো হলো- শনাক্তকরণ, নজরদারি, প্রতিহতকরণ এবং আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা। বিমান প্রতিরক্ষার প্রধান দায়িত্ব হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আকাশসীমায়, এমনকি দেশের আকাশসীমার বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তু শনাক্ত করা।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের হামলা চালায়। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারান। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে পাল্টা ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।


