শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬
শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬
24 C
Dhaka
Homeআন্তর্জাতিকভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ স্বীকার করলেন

ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ স্বীকার করলেন

প্রকাশ: অক্টোবর ১০, ২০২৬ ২:৫৩

নির্বাচনি ব্যবস্থায় জালিয়াতির বিষয়ে অভিযোগ জানাতে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। বৈঠকের পর লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী জানান, তাদের অভিযোগ রাষ্ট্রপতি ‘অস্বীকার করেননি’ দেখে ‘স্তম্ভিত’ হয়েছেন তিনি। যদিও রাষ্ট্রপতি এসব অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ চেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। খবর এনডিটিভির।

‘নির্বাচন কীভাবে চুরি করা হয়েছে তার সব প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে বলে জানালেন রাহুল গান্ধী। পুরো দেশ তা দেখেছে। ভারতের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার কাছে একটি স্মারকলিপি তুলে দিতে আমরা সোমবার সুপ্রিম কোর্টে যাব।

এর আগে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাদের একটি দল সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে পদযাত্রা করেন। পরবর্তীতে তাদের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেন।

তাদের পেশ করা স্মারকলিপিতে চারটি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে-জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি আইন বাতিল, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৩ কোটি ৩০ লাখ ভোটারকে পুনর্বহাল এবং ভোটার তালিকা সংশোধন অবিলম্বে স্থগিতকরণ, সব নির্বাচনে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ এবং গত দুই বছরে যেসব বিধানসভা নির্বাচনে ‘ভোট চুরির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে’, সেগুলোর ফল বাতিল করা।

তবে ক্ষমতাসীন বিজেপির অভিযোগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়কে রাজনীতির মধ্যে টেনে এনেছে কংগ্রেস। দলটির মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, ‘কংগ্রেসের একমাত্র লক্ষ্য যে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরি করা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়া এবং তা থেকে রাজনৈতিক সুবিধা নেয়া। এটি এখন একেবারেই স্পষ্ট। আজ রাষ্ট্রপতি ভবনের বাইরে তারা যা করেছে, তা সেই সন্দেহকেই আরও গভীর করে।’

এদিকে ভারতে গণতন্ত্র রক্ষা এবং সিইসির পদত্যাগের দাবিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির প্রাণকেন্দ্র যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই বিক্ষোভ ঠেকাতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে শুরু করে ২৪ ঘণ্টার জন্য যন্তর মন্তরের চারপাশের ৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার পুলিশ সদস্য।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর