শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
32 C
Dhaka
Homeজাতীয়তদবির ঠেকাতে সরকারের কঠোর নির্দেশনা

তদবির ঠেকাতে সরকারের কঠোর নির্দেশনা

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ৮:০৮

সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরিসংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

কোনো সরকারি কর্মচারী নিজের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অন্য কাউকে দিয়ে তদবির করালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ওই তদবিরের বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর চাকরির নথি বা ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করতে হবে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু সরকারি কর্মচারী চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তদবির করানোর জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাচ্ছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর বিধি ২০-এর লঙ্ঘন। একই সঙ্গে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) অনুযায়ী এটি ‘অসদাচরণ’-এর শামিল।

কোনো সরকারি কর্মচারী তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের মাধ্যমে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করালে তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থাই নয়, ওই কর্মচারীর পক্ষে করা তদবিরের বিস্তারিত তথ্যও তার চাকরি সংক্রান্ত নথি বা ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করতে হবে।

অর্থাৎ ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর চাকরির নথিতে এ ধরনের তদবিরের তথ্য রেকর্ড হিসেবে থাকবে।

চাকরি সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে সমস্যায় পড়লে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন।

এ ধরনের আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে তা যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনাটি দেশের সব সিনিয়র সচিব ও সচিবের পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর