ওল খেলেও ধরবে না গলা, ভর্তা, ডালনা নয়, গরম ভাতে খান মুচমুচে ওলের বড়া
মাখানা: ফাইবারে ভরপুর অথচ ক্যালোরি কম। প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে মাখানায়। যেহেতু মাখানায় ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে, তাই হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে এটি। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর মাখানার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও কম। তাই ডায়াবেটিকদের জন্য এই খাবার নিরাপদ। সুতরাং সান্ধ্য আড্ডায় রাখতেই পারেন মাখানা। স্বাদ বৃদ্ধিতে ঘিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে নিন। যোগ করুন গোলমরিচ বা পছন্দের যে কোনও মশলা।
ছোলা: সেদ্ধ নয়, বালিতে ভাজা ছোলা নির্ভাবনায় রাখতে পারেন চায়ের সঙ্গে। প্রোটিন, ফাইবারে পূর্ণ ছোলা। ছোলায় থাকা কার্বোহাইড্রেট রক্তে আচমকা শর্করার মাত্রাও বাড়িয়ে দেয় না। এতে মেলে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টও। তা ছাড়া তেলে ভাজা হয় না বলে এটি খেলে হজমের সমস্যাও হবে না।
ভুট্টা পোড়া: এই মরসুমে ভাল ভুট্টা পাওয়া যায়। ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের উপস্থিতির ফলে এটি স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় পড়ে। খেতেও স্বাদু। সন্ধ্যার সময় ভুট্টা পুড়িয়ে লেবু, নুন দিয়ে বা পছন্দের কোনও মশলা দিয়ে এটি খেতে পারেন। তবে লেবু যোগ করলে দুধ চা বাদ দেওয়াই ভাল।
পপকর্ন: ভুট্টার দানা থেকে পপকর্ন তৈরি হয়। এটিও খুব স্বাস্থ্যকর খাবার। তবে প্যাকেটজাত পপকর্ন নয়, চিকিৎসকেরা বলছেন, ভুট্টার দানা থেকে বাড়িতেই পপকর্ন বানিয়ে নেওয়া ভাল। বাজারচলতি প্যাকেটজাত ভুট্টার দানাও কিন্তু এড়িয়ে যেতে বলছেন চিকিৎসকেরা।
বাদাম: আখরোট, কাঠবাদাম, চিনেবাদাম— ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের অন্যতম উৎস। অল্প ঘিয়ে নাড়াচাড়া করে নিয়ে এগুলিও খেতে পারেন। উপাদেয় এবং স্বাস্থ্যকর এই খাবার সান্ধ্য খিদে মেটানোর জন্য খুব ভাল উপায়।


