ট্যাংরা মাছ খাওয়া হলেও অনেকেই জানেন না, এতে কী কী উপাদান রয়েছে। এই মাছ খাওয়া হলে স্বাস্থ্যে কেমন প্রভাব পড়ে, সেটিও জানেন না অনেকে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্যাংরা মাছে বিরল ধরনের ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। ভালো ফ্যাট রয়েছে। রয়েছে একাধিক উপকারী উপাদান।
নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ট্যাংরা মাছ রাখা হলে হার্ট ভালো থাকে। এটি কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। মুরগি বা খাসির মাংসে যে ধরনের প্রোটিন রয়েছে, তার থেকেও আলাদা প্রোটিন রয়েছে ট্যাংরা মাছে। অনেকেই কোলেস্টরলের আতঙ্কে থাকেন, তবে এই মাছ খেলে কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই মাছে বিদ্যমান ফ্যাট সহজেই দ্রবীভূত হয় শরীরে।
মাছটিতে এমন অনেক উপাদান রয়েছে, যা শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নিয়মিত এই মাছ খেলে আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের মতো রোগ হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। এ কারণে বয়স্করা ট্যাংরা মাছ খেলে সুবিধা পাবেন। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের বিকাশে কার্যকরী। উপাদানটি মস্তিষ্কের কোষ সতেজ রাখে এবং বুদ্ধির বিকাশে অবদান রাখে। এ জন্য শিশুদের ট্যাংরা মাছ খাওয়ালে দারুণ উপকার পাওয়া যায়।
এছাড়া মাছ খাওয়া হলে শরীরে কোলাজেন বৃদ্ধি পায়। কোলাজেন ত্বক ও চুল উভয়ের জন্য উপকারী। এ জন্য মাছ খাওয়া হলে ত্বক ও চুল দুটোই ভালো থাকে। মাছে এমন গুণ রয়েছে, যা সেল মেম্ব্রেনের তরল ভাব বজায় রাখতে সহায়তা করে। এ কারণে শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা ফিরে আসে এবং চুলও নরম ও উজ্জ্বল হয়।
অনেকেরই চোখের সমস্যা থাকে। এ ক্ষেত্রে ট্যাংরা মাছ খেলে উপকার মিলে। মাছের চামড়া বা তেল চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এর পুষ্টি উপাদান চোখ ভালো রাখে, রেটিনা সুস্থ রাখে এবং ড্রাই আইজ বা চোখের শুষ্কতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। ট্যাংরা মাছে ভিটামিন ডি রয়েছে। যা হাড় মজবুত রাখে। তবে যাদের মাছ খেলে সমস্যা হয়, তারা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।


