আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিলেন্স অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ইসি মো. সানাউল্লাহ।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, গণভোট নিয়ে সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি। আমরা গণভোট নিয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা দেইনি। আমরা শুধু আইনকে রেফার করে দিয়েছি গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২১নং ধারায় বলা আছে—সাধারণ নির্বাচনের যা যা নিষিদ্ধ রয়েছে তা গণভোটের জন্য নিষিদ্ধ। সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের কোনো পক্ষ বা বিপক্ষ করার সুযোগ নেই। আমরা শুধু এই ব্যাপারটাই স্পষ্ট করে দিয়েছি। তার মানে এটা দাঁড়াবে—সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শুধু সাধারণ জনগণকে অবহিত করতে পারবেন, সচেতন করতে পারবেন। তবে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারবে না।
ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, আর মাত্র বাকি আছে নির্বাচনের ১২ দিন। পটুয়াখালীতে নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখে আমি খুব সন্তুষ্ট। আশা করছি, এখানে একটি সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমরা আশা করছি, সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এ বছর নির্বাচনের পরিস্থিতি অনেক ভালো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিলেন্স অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ শুক্রবার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। সভায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কোর আফিসার, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন নির্বাচন কমিশনার।


