রবিবার (৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তার প্রস্থানে শিক্ষক, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা— এই তিন পরিচয়ের এক নিবেদিতপ্রাণ মানুষের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
মাস্টার আবুল বশর দীর্ঘদিন নাজিরহাট কলেজিয়েট স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানদানে যেমন ছিলেন নিবেদিত, তেমনি সমাজের সত্য ও ন্যায়ের কথা তুলে ধরতে সাংবাদিকতার কলমও ছিল তার নিরলস সঙ্গী। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার সঙ্গে দীর্ঘ সময় যুক্ত থেকে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শিক্ষা ও সাংবাদিকতা উভয় ক্ষেত্রেই তিনি এলাকায় সম্মান ও শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের গোপালঘাটা গ্রামের মনুর বাড়ির বাসিন্দা এবং মাওলানা আবদুর রহমানের সন্তান।
তার মৃত্যুতে ফটিকছড়ি প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রবীণ এই শিক্ষক-সাংবাদিকের প্রস্থানে ফটিকছড়ি এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া; অনেকের স্মৃতিতে তিনি থেকে যাবেন একজন সৎ, নিরহংকার ও মানবিক মানুষ হিসেবে।


