রোববার (৩ মে) রাত ১২টার দিকে তিনি কোতয়ালী মডেল থানা থেকে বের হন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী, এলাকাবাসী ও স্বজনদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
এদিকে, বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুমকে আটকের কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি পুলিশ। তবে জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশ আসার পরই তাকে পুলিশ আটক করেছিল।
নানা নাটকীয়তার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সবুজ সংকেত পেয়েই দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেয়া হয়। এ সময় থানা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা রেজাউল কাইয়ুমকে সঙ্গে নিয়ে বের হতে দেখা গেছে।
কোতয়ালী মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, কিছু অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছিল। তাকে সিনিয়র কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। এ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে কোনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি থানা থেকে বাসায় চলে গেছেন।
এর আগে রোববার দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার শাসনগাছা এলাকার বাসা থেকে রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা। তবে তাকে আটক করার বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্পষ্ট না করায় তাকে কি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে না কি ছেড়ে দেয়া হবে এ নিয়ে অনেকটা ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়।
এদিকে রেজাউল কাইয়ুমের আটকের খবরে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল থেকে সকল রোডে বাস যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। আটকের খবর পেয়ে কয়েকশ নেতাকর্মী ও পরিবহন শ্রমিকরা কোতয়ালী মডেল থানার সামনে গিয়ে তার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এ সময় মুক্তির দাবিতে কয়েক ঘণ্টা ধরে থানার প্রধান ফটকে স্লোগান দেয়া হয়। পরে থানার সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করতে দেখা যায়।


