বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬
বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬
27 C
Dhaka
Homeঅর্থনীতি ও বাণিজ্যদেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই

প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ৪:৪১

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ধরনের সংকট নেই। বর্তমানে ৩১ দিনের ডিজেল, ৩৬ দিনের অকটেন, ২০ দিনের পেট্রোল, ২০ দিনের জেট ‍ফুয়েল ও ২৫ দিনের ফার্নেস অয়েল মজুদ রয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জরুরি ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, দু’একটি গণমাধ্যমে জ্বালানি তেলের সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু জ্বালানি তেলের কোনোরকম সংকট এই মুহূর্তে নেই। ৩১ দিনের ডিজেল, ৩৬ দিনের অকটেন, ২০ দিনের পেট্রোল, ২৫ দিনের ফার্নেস অয়েল, ২০ দিনের জেট ফুয়েল মজুদ আছে। অন্যান্য জ্বালানি পণ্যেও সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুদ আছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই যুগ্মসচিব বলেন, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজার এবং আগস্টে ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসবে। সবমিলিয়ে জ্বালানি পণ্যের কোনো ধরনের সংকট নেই। সংকট তৈরির চেষ্টা থেকে গুজব তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে প্রতিদিন প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এরমধ্যে প্রতিদিন সরবরাহ করা যায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সেদিক থেকে কিছুটা ঘাটতি দীর্ঘদিন ধরে আছে। তবে গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে অনেকদিন কাজ হয়নি। নতুন সরকার আসার পর থেকে এই কাজ এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, একটি এফএসআরইউতে (এলএনজির ভাসমান টার্মিনাল) যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এর ফলে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। যে কারণে সিএনজি স্টেশনগুলোতে কিছুটা লাইন দেখা গেছে। তবে ত্রুটি মেরামত চলছে, আগামী ২ দিনের মধ্যে সমাধান হবে বলে আশা করছি। সিএনজি স্টেশনে সংকট খুবই সাময়িক, এটি থাকবে না।

জ্বালানি তেল আমদানি ইস্যুতে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুধু ক্রুড অয়েল আসে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর রেড সি দিয়ে আমদানি করা হচ্ছে। রেড সি-ও বন্ধ হলে সে ক্ষেত্রে বিকল্প রুটও ভাবছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর