শনিবার (১১ জানুয়ারি) ইয়নের প্রতিবেদনেজানা যায় নয়াদিল্লির নিজ বাসভবনে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর। নির্মাতা রাজেশ ঘাটানি এবং প্রশান্তের ঘনিষ্ঠ বন্ধু অমিত পল তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রশান্ত তামাংয়ের মৃত্যু হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত তার মৃত্যুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। জানা গেছে, অরুণাচল প্রদেশে একটি লাইভ পারফরম্যান্স শেষে সম্প্রতি দিল্লিতে ফিরেছিলেন তিনি।
গানের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের জায়গা তৈরি করেন প্রশান্ত। ২০০৯ সালে নেপালি চলচ্চিত্র ‘গোরখা পল্টন’, ‘আঙ্গালো ইয়ো মায়া কো’, ‘কিনা মায়া মা’, ‘নিশানি’সহ একাধিক সিনেমাতে অভিনয় করেন। ছবি: সংগৃহীত
প্রশান্ত তামাংয়ের আকস্মিক মৃত্যুর খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকবার্তা জানাচ্ছেন অসংখ্য ভক্ত ও সহকর্মী। বিনোদন জগতে পা রাখার আগে প্রশান্ত তামাং কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০০৭ সালে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন থ্রিতে জিতে রাতারাতি তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে।
ইন্ডিয়ান আইডল জয়ের পর সনি বিএমজি থেকে প্রকাশিত হয় তার প্রথম অ্যালবাম ‘ধান্যবাদ’, যেখানে নেপালি ও হিন্দি গান ছিল। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কনসার্টে গান পরিবেশন করেন।
গানের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের জায়গা তৈরি করেন প্রশান্ত। ২০০৯ সালে নেপালি চলচ্চিত্র ‘গোরখা পল্টন’, ‘আঙ্গালো ইয়ো মায়া কো’, ‘কিনা মায়া মা’, ‘নিশানি’সহ একাধিক সিনেমাতে অভিনয় করেন। টিভি সিরিজ ‘আম্বর ধারা’-তেও বিশেষ চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। সাম্প্রতিক সময়ে ওয়েব সিরিজ ‘পাতাল লোক’ সিজন টু-এ তার অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।


