একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চিকেন পক্সে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যাও। অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হওয়ায় হাম ও চিকেন পক্সে আক্রান্ত শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে।
সম্প্রতি ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. হুমায়রা জেসমিন তৃষা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, কেবল শিশুরাই নয়, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও হামের সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন গর্ভবতী নারীরা। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হামে আক্রান্ত হওয়া মা ও শিশু—উভয়ের জন্যই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডা. হুমায়রা জেসমিন তৃষা জানান, শিশুর জ্বর আসার চার দিনের মধ্যে যদি শরীরে র্যাশ বা লালচে দানা দেখা দেয়, তবে কালক্ষেপণ না করে তাকে দ্রুত আইসোলেটেড বা আলাদা করে ফেলতে হবে। এতে পরিবারের অন্য সদস্য বা অন্য শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে।
সংক্রমণ বাড়লেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছেন চিকিৎসকরা। সরকারের পক্ষ থেকে টিকাদানে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার ফলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই হাম সংক্রমণের সংখ্যা কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ততদিন পর্যন্ত শিশুদের বিশেষ যত্ন নেয়া এবং যেকোনও শারীরিক জটিলতায় নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।


