শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
24 C
Dhaka

ঘানায় ফুটবলারদের বাসে ডাকাতের হামলা, নিহত ১

0

রোববার (১২ এপ্রিল) এই ঘটনা ঘটেছে।

বেরেকুম চেলসি ক্লাবের খেলোয়াড়রা সামারটেক্সে অনুষ্ঠিত একটি ম্যাচ শেষে নিজ গন্তব্যে ফিরছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা তাদের বাসে হামলা চালায়। হামলার সময় বাসটি পেছনে ঘোরানোর চেষ্টা করছিল।

ঠিক তখনই হামলাকারীরা গুলি চালায়। এতে ২০ বছর বয়সী উইঙ্গার ফ্রিম্পং মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনায় তিনিই একমাত্র নিহত ব্যক্তি বলে জানা গেছে।

ঘানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ডমিনিক ফ্রিম্পংয়ের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। এটি ঘানার ফুটবলের জন্য বড় ক্ষতি।

এই ঘটনায় দেশটির ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তরুণ এই ফুটবলারের আকস্মিক মৃত্যুতে সতীর্থ ও সমর্থকদের মধ্যেও গভীর শোক বিরাজ করছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ

0

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে এটি কার্যকর হবে।

বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ওই অধ্যাদেশ বাতিল এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সালে করা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ আবার চালু করতে বিল পাস করে সংসদ।

মাদরাসা শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর

0

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের (মাদ্রাসা) শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা-২০২৬ বাবদ চারটি চেক বণ্টনকারী ব্যাংকগুলোতে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্মারক নম্বর ‘৫৭.২৫.০০০০.০১১.০৬.০০২.২৪-১২২’ অনুযায়ী অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ে এই চেক পাঠানো হয়।

শিক্ষক ও কর্মচারীরা আগামী ১৪ এপ্রিলের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে তাদের বৈশাখী ভাতার অংশ উত্তোলন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার সংখ্যা ৮ হাজার ২২৯টি। এর মধ্যে দাখিল পর্যায়ের মাদ্রাসা রয়েছে ৫ হাজার ৭৬৭টি, আলিম পর্যায়ের ১ হাজার ২৮৫টি, ফাজিল পর্যায়ের ৯৯৩টি এবং কামিল পর্যায়ের ১৮৪টি। এসব এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।

পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ‘বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, বিদায় ১৪৩২। স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখ- বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তার ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশাখী মেলা, বৈশাখী শোভাযাত্রা, হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং আমাদেরকে ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোতে এই কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।

আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি- এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।

সবশেষে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে আবারও আন্তরিক শুভেচ্ছা।

বিসিএস নিয়োগে বড় পরিবর্তনের পথে পিএসসি

0

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এক বিশেষ প্রতিবেদন পেশের মাধ্যমে পিএসসি এই নতুন পরিকল্পনাগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরে।

২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করা নতুন কমিশনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তৈরি এই প্রতিবেদনে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফেরানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিএসসির প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে ‘ওয়ান বিসিএস, ওয়ান ইয়ার’ বা এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিয়োগের মানদণ্ডে বড় পরিবর্তন এনে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০০ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর বিপরীতে লিখিত পরীক্ষার গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো কলঙ্কজনক ঘটনা রুখতে পিএসসি নিজস্ব প্রেস স্থাপন ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে, যার ফলে আগে যেখানে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে ৬ মাস সময় লাগত, এখন তা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরীক্ষার্থীদের আর্থিক বোঝা কমাতে বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ফি ৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে মাত্র ২০০ টাকা নির্ধারণ করেছে কমিশন। পিএসসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম এই সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে বলেন, এক সময় পিএসসি প্রায় অকার্যকর একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল।

তিনি জানান, কমিশনের পুরনো ও পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে পিএসসিকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে নতুনভাবে সামনে এগিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীদের দ্রুততম সময়ে সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পিএসসির এই সংস্কার কার্যক্রম কেবল বিসিএসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং নন-ক্যাডারসহ অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রেও একই ধরনের গতি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশের সময় কমিয়ে আনার ফলে চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে। বিসিএস পরীক্ষায় দুর্নীতির ছিদ্রপথগুলো চিরতরে বন্ধ করতে নতুন কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

১০০ টাকা রিচার্জে সেবা মেলে মাত্র ৬২ টাকার, পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

0

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

তিনি বলেন, দেশের টেলিকম ও আইসিটি খাতে বিদ্যমান উচ্চ করহার কমিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এই খাতে বিভিন্ন স্তরে করহার ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত, যা বিশ্বে অন্যতম বেশি। একইসঙ্গে দেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাতও কম। তাই উভয় দিক বিবেচনায় নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে কাজ চলছে।

উপদেষ্টা বলেন, টেলিকম খাতে করের চাপের প্রভাব সরাসরি গ্রাহকের ওপর পড়ে। একজন গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করলে প্রকৃতপক্ষে তিনি মাত্র ৬২ টাকার সেবা পান, বাকি ৩৮ টাকা কর হিসেবে চলে যায়। এই চাপ কমিয়ে গ্রাহককে আরও সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে।

রেহান আসিফ আসাদ আরও বলেন, দেশে টেলিকম অবকাঠামোতে একাধিক ব্যাকবোন বিদ্যমান। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন সংস্থা আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। এ পরিস্থিতিতে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল ফাইবার ব্যাকবোন’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে সব অপারেটর সমান সুবিধা পেতে পারে এবং সেবার মান ও খরচ উভয়ই উন্নত হয়।

এরপর কানেক্টিভিটির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি হলো শক্তিশালী সংযোগব্যবস্থা। সড়ক ও বন্দর যেমন একটি দেশের বাণিজ্য চালাতে অপরিহার্য, তেমনি ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য নির্ভরযোগ্য ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য। আগামী পাঁচ বছরে সরকারের আইসিটি খাতের উন্নয়ন তিনটি মূল স্তম্ভের ওপর নির্ভর করবে—কানেক্টিভিটি, নাগরিকের ডিজিটাল পরিচয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সেবা। এর মধ্যে ‘এক নাগরিক, এক ডিজিটাল আইডি’ বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি নাগরিক একটি একক ডিজিটাল পরিচয়ের আওতায় আসে।

ডিজিটাল ওয়ালেট ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার বিষয়ে এই উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতে প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে, যেখানে পরিচয়, আর্থিক লেনদেন ও বিভিন্ন সরকারি সেবা একসঙ্গে পাওয়া যাবে।

রেহান আসিফ আসাদ আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণরা ইতোমধ্যে উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও সাফল্য পাচ্ছে। তাদের জন্য প্রয়োজন সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট এবং সহায়ক নীতিমালা। বর্তমানে আইসিটি ও টেলিকম খাত থেকে দেশের জিডিপিতে ২ থেকে ৪ শতাংশ অবদান আসছে, যা ভবিষ্যতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব। এজন্য সরকার, বেসরকারি খাত ও উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সব সমস্যা একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়, তবে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে ধাপে ধাপে সমস্যার সমাধান করা হবে।

আগামী পাঁচ বছরে আইসিটি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিমের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবদুন নাসের খান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী এবং আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া।

দুই ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের সুখবর

0

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ তথ্য জানান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ- ভারত সম্পর্ককে ইতিবাচক দিকে নিতে হলে উভয়পক্ষকে আন্তরিক হতে হবে। বিএনপি সরকার দেশের স্বার্থ নিয়েই কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা আরও বলেন, দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। পাইপ লাইনের জ্বালানি দেওয়ার কারণে ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সরকার।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি হয় বাংলাদেশের। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারতবিরোধী বিদ্বেষ ছড়ানোসহ আরও বিভিন্ন ইস্যুকে ঘিরে তলানিতে গিয়ে ঠেকে এই সম্পর্ক। তবে, ‘পজিটিভ মাইন্ডসেট থাকলে দু’দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অগ্রগতি সম্ভব’ বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ওই বৈঠকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সেজন্য ভারতকে বার্তা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে হুমায়ূন কবির বলেন, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে এখন অপ্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশে তাদের আর গুরুত্ব নেই। শেখ হাসিনার বিষয়ে জুডিশিয়াল প্রসেসে এগোনো হবে।

এছাড়া, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার দায়ে অভিযুক্ত দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছে। ভারতের সঙ্গে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমেই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সার্কভুক্ত দেশগুলোতেও প্রথম সফর হতে পারে। তবে এখনও কিছু ফাইনাল হয়নি, তবে ব্যাপারটি বিবেচনাধীন আছে।

বর্তমান সরকার সবসময় জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে উল্লেখ করে হুমায়ূন কবির বলেন, দেশের মানুষ নির্বাচিত সরকারের পক্ষে আছে, তাই বড় গলায় কথা বলতে পারি। দেশকে বিক্রি করে বিএনপি সরকার কিছুই করবে না।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

0
চৈত্র সংক্রান্তি আজ
চৈত্র সংক্রান্তি আজ

গ্রামবাংলায় এদিন আরও প্রাণবন্ত। পুরনো হিসাব চুকিয়ে হালখাতা খোলার প্রস্তুতি, ঘরে ঘরে নিরামিষ রান্না, ১৪ শাকের পদ ও ছাতু খাওয়ার ঐতিহ্য—সবই নতুন সূচনার প্রতীক। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শিবপূজা ও ব্রত পালন করেন, আর পাহাড়ি জনগোষ্ঠী তিন দিনব্যাপী উৎসবে বরণ করে নেয় নববর্ষ।

নগরজীবনে রূপ বদলালেও গ্রামীণ ঐতিহ্য এখনো বহমান। মেলা, যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত ও লোকজ আয়োজনে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ।

এবারও দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে লোকশিল্প প্রদর্শনী, ধামাইল নৃত্য, জারিগান, পটগান, পুঁথিপাঠসহ নানা পরিবেশনা চলছে। যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’ মঞ্চায়িত হচ্ছে গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরতে।

চৈত্র সংক্রান্তি শুধু একটি তারিখের সমাপ্তি নয়—এটি বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্য, যেখানে বিদায়ের বেদনা আর নতুনের আনন্দ একসঙ্গে বয়ে চলে।

 

হামের উপসর্গে ১৭৪ শিশুর মৃত্যু হল ২৯ দিনে

0
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯ দিনে ১৭৪ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯ দিনে ১৭৪ শিশুর মৃত্যু

শনিবার (১১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২৪ শিশুর, সন্দেহজনক মৃত্যু হয়েছে আরও ১৪৫ শিশুর।

এছাড়া নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ২৪৮৯ শিশু এবং সন্দেহজনক আরও ১৪ হাজার ৩৮৫ শিশুর আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ও আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে, পরের স্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ। ঢাকা বিভাগে নিশ্চিত ও সন্দেহজনক ৭৪৭৮ শিশু এবং রাজশাহী বিভাগে ৩৪৪৯ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।

 

পড়াশোনার সেরা সময় কোনটি? সকালে না রাতে

0
সকাল না রাত, পড়াশোনার সেরা সময় কোনটি?
সকাল না রাত, পড়াশোনার সেরা সময় কোনটি?

সকালের পড়াশোনার সুবিধা

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর মানুষের মস্তিষ্ক থাকে সতেজ ও সক্রিয়। এই সময় নতুন তথ্য গ্রহণ ও মনে রাখার ক্ষমতা তুলনামূলক বেশি থাকে। ফলে জটিল বিষয়, নন-ফিকশন বা আত্মউন্নয়নমূলক বই পড়ার জন্য সকালকে সবচেয়ে কার্যকর সময় হিসেবে ধরা হয়।

এছাড়া দিনের শুরুতেই পড়াশোনা করলে মানসিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং সারাদিনের কাজের জন্য এক ধরনের প্রস্তুতি তৈরি হয়, যা উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

রাতের পড়াশোনার সুবিধা

অন্যদিকে, রাতের পড়াশোনা মূলত মানসিক প্রশান্তি ও বিশ্রামের জন্য বেশি কার্যকর। দিনের ব্যস্ততা শেষে বই পড়া শরীর ও মনের চাপ কমাতে সাহায্য করে। এটি হৃদস্পন্দন কমায় এবং ধীরে ধীরে ঘুমের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে।

বিশেষ করে মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দূরে থেকে বই পড়া ঘুমের মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একইসঙ্গে রাতের নিরিবিলি পরিবেশ সৃজনশীল চিন্তা ও কল্পনার বিকাশেও সহায়ক।

কোন সময়টি বেছে নেবেন?

যদি আপনার লক্ষ্য হয় শেখা, দক্ষতা বাড়ানো ও দিনকে উৎপাদনশীলভাবে শুরু করা—তাহলে সকালই সেরা সময়।

আর যদি দিনের শেষে মানসিক চাপ কমানো, আরাম পাওয়া এবং ভালো ঘুম নিশ্চিত করাই হয় লক্ষ্য—তাহলে রাতের পড়াশোনা বেশি উপযোগী।
সবশেষে বলা যায়, পড়াশোনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো “একটি সেরা সময়” নেই। বরং নিজের জীবনযাপন ও প্রয়োজন অনুযায়ী সময় বেছে নিলেই সর্বোচ্চ উপকার পাওয়া সম্ভব।