বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
26.7 C
Dhaka

ডায়াবেটিস রোগীদের পাকা আম খেলে কি হয়

0
পাকা আম
পাকা আম

ছোট থেকে বড়, সবাই এই ফলটি উপভোগ করেন। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের মনে প্রশ্ন থাকে—পাকা আম খাওয়া কি নিরাপদ?

সঠিক নিয়ম মেনে খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করলে ডায়াবেটিস রোগীরাও পাকা আম খেতে পারেন।

চিকিৎসকদের মতে, দিনে বেশি হলে একটি মাঝারি আকারের আম খাওয়া যেতে পারে। তবে একসঙ্গে বেশি আম খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। কারণ এতে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ডায়াবেটিস রোগীদের ভারী খাবারের সঙ্গে আম খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। সবচেয়ে ভালো সময় হলো সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়। এ সময় অল্প পরিমাণে আম খেলে শরীর তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, আমের সঙ্গে কিছু বাদাম, শসা বা স্প্রাউট খেলে রক্তে শর্করার প্রভাব কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

তবে আমের জুস, পুডিং বা কোনো মিষ্টি ডেজার্ট খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে রাতের খাবারের সময় আম খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।

তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো—ডায়াবেটিস থাকলেও আম পুরোপুরি বাদ দিতে হবে না, তবে পরিমাণ, সময় ও খাওয়ার ধরন মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

তাদের কথা মানতে হবে কেন,আমরা আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই

0
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, অর্থমন্ত্রী আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকের পর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা তাদের চাপেরই ফল। তিনি বলেন, আমরা আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের দাস বা গোলাম নই যে তাদের কথা আমাদের মানতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে, যা জনগণের দুঃখ-কষ্ট আরও বাড়াবে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি চার্জ, সিস্টেম লস, রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের নামে দীর্ঘদিন ধরে বিপুল অর্থ অপচয় ও লুটপাট চলছে। এসব অনিয়ম বন্ধ না করে উল্টো বিদ্যুতের দাম বাড়ানোকে তিনি জনগণের অর্থ ‘আবারও হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী কিছুদিন আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে আগামী দুই বছর বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রাহক পর্যায়ে প্রায় ২০ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে, যা জনগণের জন্য বিস্ময়কর ও হতাশাজনক।

সমাবেশে জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় গ্যাস ও তেলের দামও একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে, যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে নিত্যপণ্যের বাজারে। এতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়ে জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

দলের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, সরকার যদি এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করে এবং জনস্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে জনগণের ক্ষোভ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে, একই সঙ্গে গ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। এতে দ্রব্যমূল্য বেড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এক পর্যায়ে তিনি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত হচ্ছে।

সমাবেশের সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ার ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চাপ আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে। তিনি অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

৩ নারীসহ ৫ জনের প্রান গেলো বজ্রপাতে 

0
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে বৃষ্টির সময় পৃথক ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়।

বজ্রপাতে নিহতরা হলেন সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার এলাকার মো. রাব্বিলের ছেলে আব্দুল্লাহ, শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের আব্দুর রবের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার, রানীবাজার এলাকার আবুল কাশেমের মেয়ে সাদিয়া খাতুন, মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মেসবাউল এবং নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি গ্রামের সুমিয়ারা বেগম।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, শিবগঞ্জে নিহত তিনজন বাড়ির পাশের আমবাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, নিহত তিন পরিবারের প্রত্যেককে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, সদর উপজেলার আতাহার এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন আব্দুল্লাহ। পরে স্থানীয়রা তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি এলাকায় মাঠে ঘাস কাটার পর বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান সুমিয়ারা বেগম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ।

 

আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত প্রত্যাহার হলো  বিদ্যুতের বাড়তি দাম 

0
আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার
আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিইআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৩ জুন) পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যেখানে আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। সেই সঙ্গে প্রথম ধাপে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা করা হয়।

আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের বিষয়ে বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলো বুধবার বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্ভুক্ত আবাসিক লাইফ লাইন (০-৫০ ইউনিট) এবং আবাসিক প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) পুনর্নির্ধারিত মূল্যহার পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করে। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে শুনানি শেষে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ধারা ২২(খ) ও ৩৪ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিদ্যুৎ বিতরণ (খুচরা) ট্যারিফ প্রবিধানমালা, ২০১৬ এর প্রবিধান ১৩(৩) অনুসারে আবাসিক লাইফ লাইন (০-৫০ ইউনিট) এবং আবাসিক প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) বর্ধিত মূল্যহার কার্যকর না করে পূর্বের মূল্যহার বহাল রাখা হলো।

ফলে সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানির আবাসিক গ্রাহক-শ্রেণির লাইফ লাইন (০-৫০ ইউনিট) এর এনার্জি রেট বা চার্জ প্রতি কিলোওয়াট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) এনার্জি রেট বা চার্জ ৫ টাকা ২৬ পয়সা জুন, ২০২৬ থেকে বহাল থাকবে।

তবে বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে বুধবার জারি করা বিইআরসির অন্যান্য আদেশ অপরিবর্তিত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

মমতার বিরুদ্ধে মামলা হলো ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করায়

0
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের পর মমতার বিরুদ্ধে মামলা
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের পর মমতার বিরুদ্ধে মামলা

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রিঙ্কি চ্যাটার্জি সিং নামের ওই আইনজীবী শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী রিঙ্কি চ্যাটার্জি সিং দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা কিছু প্রকাশ্য বক্তব্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রতি উসকানিমূলক ও মানহানিকর ছিল। খবর সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের।

রিঙ্কি সিং তাঁর অভিযোগে উল্লেখ করেন, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন জনসভা, রাজনৈতিক মঞ্চ এবং গণমাধ্যমের সাথে আলাপচারিতায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্বে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বেশ কিছু উসকানিমূলক ও উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি জনসমক্ষে এই ধরনের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সততা, নিরপেক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণের মনে অবিশ্বাস ও অসন্তোষ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে।’

অভিযোগটিতে গত ২ জুন একটি রাজনৈতিক মঞ্চে করা বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং এক্ষেত্রে আইনের প্রযোজ্য ধারা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ‘গত ২ জুন (মঙ্গলবার) রানী রাসমণি স্মরণে একটি রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন যে, ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে তাঁর গোপন আলোচনা হয়েছিল এবং তিনি প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সাথে ভারত সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জড়িয়ে আরও কিছু অভিযোগ তোলেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের ভাবমূর্তি ও নির্ভরযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার এবং দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে শত্রুতা তৈরি করার স্পষ্ট উদ্দেশ্যে এই ধরনের অভিযোগ জনসমক্ষে এবং গণমাধ্যমের সামনে খোলামেলাভাবে করা হয়েছে।’

এর আগে এক সপ্তাহ আগে, গত বছর কলকাতায় একটি ঈদ উৎসবে যোগ দেওয়ার সময় সনাতন ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।

আইনজীবী রিঙ্কি চ্যাটার্জি সিং কর্তৃক শিলিগুড়ি সাইবার থানায় দায়ের করা ওই অভিযোগে দাবি করা হয়েছিল যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য সনাতন ধর্মের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী রিঙ্কি সিং দাবি করেন যে, তৃণমূল সুপ্রিমো সনাতন ধর্মকে ‘গান্দা ধর্ম’ (নোংরা ধর্ম) হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন, যা কোটি কোটি অনুসারীদের ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারণার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ইঙ্গিত করেছিলেন যে যদি একটি বিশেষ সম্প্রদায় হিন্দুদের ওপর আক্রমণ করে, ‘তবে তাদের ১২টা বেজে যাবে’।

আইনজীবী সিং তাঁর আবেদনে যুক্তি দেখিয়েছেন যে, এই ধরনের মন্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল ‘ভয় ও ভীতির মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা’ এবং ‘সামাজিক অশান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা।’

ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরে গেছে ২৮১ প্রাণ, বেশি প্রাণহানি মোটরসাইকেলে

0

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদিন গড়ে ২১ দশমিক ৬১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবারের ঈদযাত্রায়। গত বছরের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১২ দিনে নিহত হয়েছিলেন ৩১২ জন, যেখানে দৈনিক গড় মৃত্যু ছিল ২৬ জন। সে হিসাবে এবার সড়কে প্রাণহানি কমেছে ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

প্রাণহানি কমলেও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি বলে মন্তব্য রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের। প্রতিবেদনে বলা হয়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা এখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। দুর্ঘটনায় নিহত পথচারীর সংখ্যা ৩৭ জন এবং চালক-সহকারী নিহত হয়েছেন ৩৩ জন। সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি একই সময়ে ১৩টি নৌ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ২২টি রেল দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৪৮ জন, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনের আরোহী ৩২ জন, বাসযাত্রী ২১ জন এবং প্রাইভেটকার ও অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী ১১ জন নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার স্থান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে এবং ৩৩ দশমিক ২১ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনার ধরন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যানবাহন দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি, যা মোট দুর্ঘটনার ৪৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৯৫টি দুর্ঘটনায় ১০১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম প্রাণহানি হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে ৯টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। জেলা হিসেবে ফরিদপুরে সবচেয়ে বেশি ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের ঈদে রাজধানী ঢাকা থেকে এক কোটির বেশি মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে যাত্রা করেছেন এবং সারা দেশে প্রায় চার কোটি মানুষ যাতায়াত করেছেন। ট্রেন ছাড়া সড়ক ও নৌপথে তুলনামূলক কম ভোগান্তি হলেও বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

সার্বিক বিশ্লেষণে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন, বিআরটিএ ও বিআরটিসির সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন অপসারণ, দক্ষ চালক তৈরি, মহাসড়কে সার্ভিস রোড নির্মাণ এবং রেল ও নৌপরিবহন উন্নয়নের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা গ্রহণের বিকল্প নেই। সময়োপযোগী নীতিমালা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এর জন্য সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।

চলতি বছরেই দেশে শিশুদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

0

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা স্কুলে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে শিশুদের স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা হবে এবং এ বছরের মধ্যে সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ড্রপ আউটের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিলো, বর্তমান সরকার সবার আগে শিশুদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষাকে আনন্দময় করতে খেলাধূলাকে কারিকুলামে যুক্ত করা হবে, শিক্ষার্থীরা যাতে হাসতে হাসতে শিখতে পারে সেজন্য সকল পদক্ষেপ নিবে সরকার।

এদিকে, আজকের শিশুরাই আগামীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সরকার এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেন শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমত বিষয় নিয়ে নিজেকে তৈরি করতে পারে।

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

0
সমাবেশ ডেকেছে বিএনপি

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে রয়েছেন— ১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ২. সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল ৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া ৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ ৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল ৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী ৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান ৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু ১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান ১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম ১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল ১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার ১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু ১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ ১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন ১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক ১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল ২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন ২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু ২২. সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক ২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র) ২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য) ২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না ২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু ২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন ২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ ৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)

৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক ৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ ৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু ৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন ৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া ৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল ৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন ৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট ৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির ৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন ৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ ৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল ৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার ৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক ৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক ৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন ৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন ৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক ৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার ৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু ৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব ৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব) ৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ ৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম ৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)

৬১. সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন ৬২. সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ ৬৩. সহ সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল ৬৪. সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ ৬৫. সহ সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন ৬৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া ৬৭. সহ সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান ৬৮. সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি ৬৯. সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান ৭০. সহ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল ৭১. সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন ৭২. সহ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন ৭৩. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ ৭৪. সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ ৭৫. সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল ৭৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ৭৭. সহ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম ৭৮. সহ সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ ৭৯. সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল ৮০. সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুল হক ৮১. সহ সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না ৮২. সহ সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা ৮৩. সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী

৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল ৮৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার ৮৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা ৮৭. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন ৮৮. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ৮৯. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম ৯০. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন ৯১. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম ৯২. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ৯৩. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল ৯৪. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম ৯৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ ৯৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রিপন ৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার ৯৮. সহ প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান ৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন ১০০. সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল ১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন ১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন।

১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক ১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি ১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল ১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মোঃ মাসকুরুল আলম সৌরভ ১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম ১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন ১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল ১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম ১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু ১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি ১১৪. সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেজবাহউদ্দিন মেজু ১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন ১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু ১১৭. সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল ১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী ১১৯. সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম ১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু ১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ ১২৩. সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার ১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী ১২৫. সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন ১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী ১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স ১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি

১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান ১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম ১৩১. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন ১৩২. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল ১৩৩. সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান ১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) ১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার ১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান ১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া ১৪০. সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ

১৪১. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান ১৪২. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার ১৪৩. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বাস ১৪৪. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব ১৪৫. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু ১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ ১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু ১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল ১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন ১৫০. সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন ১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক

দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

0

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

ড. খলিলুর রহমানের এই অর্জনে সংশ্লিষ্টরা আবারও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। আগামী এক বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারই ঢাকায় তিনি জাতিসংঘে তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারেন।

তিনি জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচনে ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।

আগামী সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ৮১তম অধিবেশনে বৈশ্বিক এই ফোরামের নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ।

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন

0

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এমনটি জানানো হয়েছে।

ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও তারা নির্দিষ্ট কিছু পাইলট জোন বা পরীক্ষামূলক অঞ্চল তৈরির বিষয়ে একমত হয়েছে। এসব এলাকায় লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে এবং হিজবুল্লাহর মতো কোনো গোষ্ঠীর উপস্থিতি সেখানে থাকবে না।

উভয় পক্ষের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত হামলা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও এই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত এসেছে। বুধবার (৩ জুন) দিনের শুরুতে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হন।

যৌথ বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার বিষয়টি হিজবুল্লাহর হামলা ‘সম্পূর্ণভাবে বন্ধ’ এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

গত ২ মার্চ ইরানের সমর্থনে ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর নতুন করে হামলা শুরুর পর এটি ছিল দুদেশের কূটনীতিকদের মধ্যে চতুর্থ দফার সরাসরি বৈঠক।

বিবৃতি অনুযায়ী, ২২ জুন বা তার পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষ পরবর্তী দফার আলোচনায় বসবে।

বুধবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, লেবানন থেকে ইসরায়েলি আকাশসীমায় ঢুকে পড়া ‘শত্রুপক্ষের’ ড্রোন ও  দুটি রকেট তারা ভূপাতিত করেছে।

অন্যদিকে হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করার জবাবে তারা উত্তর ইসরায়েলে অবস্থানরত সেনাদের লক্ষ্য করে রকেট দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

লেবাননে সংঘাত থামাতে গত ১৭ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা কখনোই কার্যকর হয়নি। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নিজেদের হামলাকে ন্যায্য বলে দাবি করে আসছে।

হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ নেতা মাহমুদ কোমতি মঙ্গলবার এএফপিকে বলেন, তারা কোনো ‘আংশিক যুদ্ধবিরতি’ মেনে নেবেন না।

বুধবার লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত ছিল। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর প্রধান মহাসড়কে একটি গাড়ির ওপর হামলা ছাড়াও দক্ষিণ লেবাননের ২০টিরও বেশি জায়গায় বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকটি গ্রামে হামলার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, টায়ার শহরের নিকটবর্তী আল-হাওশ এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় চার সিরীয় এবং দুই ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, এই এলাকায় এ ধরনের কোনো হামলার খবর আমাদের জানা নেই।

লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় তাদের এক সেনাসদস্যের প্রাণ গেছে এবং একটি সামরিক যানে পৃথক হামলায় একজন কর্মকর্তাসহ আরও এক সেনাসদস্য আহত হয়েছেন।

সেনাবাহিনী একে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।