বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
30.4 C
Dhaka

বয়লার বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন নিহত

0

ঠাকুরগাঁও সদর থানার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় চালকলে বয়লার বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ ওয়াহিদ। তিনি বলেন, সকালে চালকলে বয়লার বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হয়েছেন।

তাৎক্ষণিকভাবে নিতহতদের নামপরিচয় জানাতে না পারলেও তারা একই পরিবারের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি। মরদেহ উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে গেছে পুলিশ।

শীতের সকালে ভক্তদের মনে উত্তাপ ছড়ালেন ভাবনা

0

রাজধানীসহ সাড়া দেশে জেঁকে বসেছে শীত। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন দুই পর্দার সমান জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। শীতের সকালে লেপে মোড়ানো ভাবনার ছবি ভক্তদের মনে ঝড় তুলেছে।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন এই নায়িকা। যেখানে বিছানায় লেপে মোড়ানো অবস্থায় বসে থাকতে দেখা গেছে। বিভিন্ন পোজে ছবিগুলো তুলেছেন ভাবনা। যেখানে নায়িকাকে বেশ খোলামেলা রূপেই দেখা মিলেছে।

ভাবনার এই ছবির বিশেষত্ব ছিল, ঘুম থেকে ওঠা নায়িকার চেহারায় ছিল না কোনো মেকাপ, ফিল্টারের ছাপ। তবুও তাকে দেখা গেছে ভীষণ স্নিগ্ধ। ছবিগুলোর ক্যাপশনেও লিখেছেন সে কথা- ‘ক্লিন ফেস, ক্লিন হার্ট, ইউ ফিল ইট?

অনেকেই তার ছবির প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, শীতের সকালে উষ্ণতা ছড়িয়ে গেলেন ভাবনা।’ কারো মন্তব্য, ‘সাহসী তুমি, সুন্দরী তুমি।

প্রসঙ্গত, অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও সময় দিচ্ছেন ভাবনা। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার ‘যাপিত জীবন’, ‘দামপাড়া’, ‘পায়েল’সহ একাধিক সিনেমা। বর্তমানে নাচ-অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটে ভাবনার।

প্রবাসী আয়ে সুবাতাস, অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরার আশা

0

একদিনে সুখবর এসেছে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ দুই সূচকে। সূচক দুটি হচ্ছে—বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের প্রধান দুই উৎস প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়। বিদায়ী ২০২৩ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। আর আগের বছরের ডিসেম্বরের চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে একই মাসে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৫৩০ কোটি ৮১ লাখ (৫.৩১ বিলিয়ন) ডলার দেশে এনেছেন রপ্তানিকারকরা। একক মাসের হিসাবে এই আয় এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি; আর বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৩৬ কোটি ৫২ লাখ (৬.৩৬ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছিল বাংলাদেশ। যা ছিল একক মাসের হিসাবে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার সকালে রেমিট্যান্সের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। বিকেলে রপ্তানি আয়ের তথ্য প্রকাশ করে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি।

আর এই দুই সূচকে ভর করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ আরও খানিকটা বেড়েছে। মঙ্গলবার দিন শেষে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন) হিসাবে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গ্রস’ হিসাবে রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে ২৭ দশমিক শূন্য সাত বিলিয়ন ডলারে উঠেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক রিজার্ভের এই তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘রিজার্ভ ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় ডলারের জোগান বেড়েছে; সংকট কেটে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই ডলারের দর ১ টাকা কমেছে।’ সব মিলিয়ে অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরে আসছে বলে মনে করেন মেজবাউল হক।

রেমিট্যান্স

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা ১৯৮ কোটি ৯৯ লাখ (প্রায় ২ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই অঙ্ক ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। গত বছরের জুনে ২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। আগের দুই মাস অক্টোবর ও নভেম্বরেও বেশ ভালো রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। অক্টোবরে এসেছিল ১৯৭ কোটি ৭৫ লাখ (১.৯৮ বিলিয়ন) ডলার; নভেম্বরে ১৯৩ কোটি (১.৯৩ বিলিয়ন) ডলার।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে এসেছিল ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, গত ডিসেম্বরে আগের বছরের ডিসেম্বরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

ব্যাংকগুলোর আড়াই শতাংশ বাড়তি প্রণোদনায় প্রবাসী আয় বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। এছাড়া অনেক ব্যাংক বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বেশি দামে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করায় প্রবাসী আয় বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

গত সেপ্টেম্বরে ১৩৩ দশমিক ৪৪ কোটি (১.৩৩ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। একক মাসের হিসাবে যা ছিল সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।

২০২০ সালের প্রথম দিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। দেশে দেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় লকডাউন; সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়।

কমতে শুরু করে রেমিট্যান্স। সেই ধাক্কায় ২০২০ সালের মার্চে রেমিট্যান্স ১২৭ কোটি ৬২ লাখ ডলারে নেমে আসে। এপ্রিলে তা আরও কমে ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ডলারে নেমে আসে। এর পর থেকে অবশ্য রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকে।

দুই বছর পর গত বছরের ২২ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকে আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—সব পর্যায়ে ডলারের দর ৫০ পয়সা করে কমানোর ঘোষণা দেয় বিদেশি মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)। ২৩ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

২৯ নভেম্বর আরও ২৫ পয়সা কমানো হয়। দুই সপ্তাহ পর ১৩ ডিসেম্বর আরও ২৫ পয়সা কমানোর ঘোষণা দেয় বাফেদা ও এবিবি। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার বিপরীতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দর ১ টাকা কমানো হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ডলার ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনছে ব্যাংকগুলো। আর আমদানি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে সরকারের বিদ্যমান প্রণোদনার বাইরে গত বছরের ২২ অক্টোবর থেকে আরও আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সরকার রেমিট্যান্সে ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে ২ টাকা ৫০ পয়সা বা আড়াই টাকা যোগ করে তার পরিবার-পরিজনকে (যার নামে প্রবাসী টাকা পাঠান) ১০২ টাকা ৫০ পয়সা দেয়া হয়।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি (১.৯৭ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। দ্বিতীয় মাস আগস্টে ১৬০ কোটি (১.৬ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল। তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ধস নামে; আসে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলার।

রপ্তানি আয়

নানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যেও রপ্তানি আয়ে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। অনেক দিন পর এক মাসে ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারের বেশি রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। বিদায়ী ২০২৩ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৫৩১ কোটি (৫.৩১ বিলিয়ন) ডলার দেশে এনেছেন রপ্তানিকারকরা। একক মাসের হিসাবে এই আয় এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি; আর বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৩৬ কোটি ৫২ লাখ (৬.৩৬ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছিল বাংলাদেশ। যা ছিল একক মাসের হিসাবে সর্বোচ্চ। ডিসেম্বর মাসে আগের মাস নভেম্বরের চেয়ে ১১ শতাংশ বেশি রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। নভেম্বরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৪৭৮ কোটি ৪৮ লাখ (৪.৭৮ বিলিয়ন) ডলার আয় হয়েছিল।

তবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের চেয়ে ১ দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ কম আয় দেশে এসেছে। প্রবৃদ্ধি কমার কারণ ওই বছরের ডিসেম্বরে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় দেশে এসেছিল।

সব মিলিয়ে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) পণ্য রপ্তানি থেকে ২ হাজার ৭৫৪ কোটি (২৭.৫৪ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের চেয়ে দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি। মোট আয়ের ৮৫ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে।

পোশাক রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘নানা বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আমরা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা এখনও লেগে আছে। মূল্যস্ফীতি বাড়ায় আমাদের প্রধান বাজার ইউরোপ-আমেরিকার মানুষ পোশাক কেনা কমিয়ে দিয়েছে। তাদের এখন খাবারের পেছনে বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমাদের এখন খারাপ সময় যাচ্ছে।’

‘এ অবস্থায় ডিসেম্বরে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি আমাদের আশান্বিত করেছে। প্রতি বছরই ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় বাড়ে। এবারও তার ব্যতয় হয়নি। তবে আগামী দিনগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে কি না—চিন্তায় আছি আমরা।’

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৬২ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সরকার। এর মধ্যে ৮৪ দশমিক ৩০ শতাংশ (৫২ দশমিক ২৭ বিলিয়ন) তৈরি পোশাক থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে সব মিলিয়ে ৫৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৪৭ বিলিয়ন ডলারই এসেছিল তৈরি পোশাক থেকে।

ভূমিকম্পে ৩০ মিনিটে দুইবার কাঁপল আফগানিস্তান

0

জাপানে প্রাণঘাতী ভয়াবহ ভূমিকম্পের দুদিন যেতে না যেতেই এবার কেঁপে উঠলো এশিয়ার আরেক দেশ আফগানিস্তান।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা ২৮ মিনিটে মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে পরপর দু’বার কেঁপে উঠেছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি।

ভারতের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, প্রথম কম্পনের উৎস ছিল আফগানিস্তানের ফয়জাবাদ এলাকা থেকে ১২৬ কিলোমিটার পূর্বে। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৪ দশমিক ৪। বুধবার দিনগত রাত ১২টা ২৮ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়।

এর ৩০ মিনিট যেতে না যেতেই দ্বিতীয় বার কেঁপে ওঠে আফগানিস্তানের মাটি। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে দ্বিতীয় কম্পন অনুভূত হয়। যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৮। দ্বিতীয় কম্পনের উৎসস্থল ছিল ফয়জাবাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে।

পরপর দু’বার ভূমিকম্পে কাঁপলেও এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। গত বছরের ৭ অক্টোবর দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে প্রাণ হারান দুই হাজারের বেশি মানুষ।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, গত বছরের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল হেরাত শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে। এরপর আরও চারটি আফটারশক আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে সেগুলোর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫, ৪ দশমিক ৭, ৬ দশমিক ৩ ও ৫ দশমিক ৯।

এদিকে, গত ১ জানুয়ারি জাপানে আঘাত হানা রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল নোটো দ্বীপে। ভয়াবহ ভূমিকম্পে শত শত ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু রাস্তাঘাট। নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২ জনে পৌঁছেছে।

আপিল কমিটির খবর প্রকাশে পাঁচ দিন সময় নিল বাফুফে

0

তৃতীয় বিভাগ ফুটবলে খেলবে বলে চকবাজার কিংস বিকেএসপির ফুটবলার নিয়েছিল। যারা পরবর্তী সময় দ্বিতীয় বিভাগেও খেলেছে। আর এ নিয়ে বিকেএসপিকে এক বছরের জন্য ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করে। জরিমানাও করা হয়েছিল ১ লাখ টাকা। বিকেএসপি তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ তদন্ত করে দেখেছে, এই অপরাধে বিকেএসপির সংশ্লিষ্টতা নেই।

বিকেএসপি আপিল করে সেটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে মুক্তি দেয় বিকেএসপিকে। নিষিদ্ধ করেছিল সেটি তুলে নেয়া হয় এবং ১ লাখ টাকা জরিমানাও মওকুফ করা হয়। এতে খুশি বিকেএসপি। তবে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত বিকেএসপির সিনিয়র কোচ শাহীনুল হককে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় এবং সেই সঙ্গে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আবাহনীর ম্যানেজার কাজী নজরুল ইসলামকে দেয়া চার ম্যাচের শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে দুই ম্যাচ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুই ম্যাচ কেটে গেছে। আর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বহাল রেখেছে বাফুফের আপিল কমিটি। এই কমিটির সভা হয়েছে গত ২৮ ডিসেম্বর। আর সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে পাঁচ দিন পর।

রাস্তা বন্ধ করে নির্বাচনি জনসভা, বিমান প্রতিমন্ত্রীকে শোকজ

0

নির্বাচনী সমাবেশ রাস্তা দখল করে করার অভিযোগে হবিগঞ্জ-৪ আসনের নৌকার প্রার্থী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি স্ব-উদ্যোগে বিষয়টি উদঘাটন করে এই শোকজ দেয়।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ-৪ নির্বাচনী এলাকায় পরিদর্শনের সময় দেখতে পান মাহবুব আলী চুনারুঘাট উপজেলার মধ্যবাজারে রাস্তার উপর এক নির্বাচনী জনসমাবেশ করছেন। এ সময় বাজারের পূবালী ব্যাংকের শাখার সামনের মোড় হতে মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর পর্যন্ত পুরো রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়।

ফলে ওই রাস্তায় যাতায়াতরত সাধারণ মানুষকে চরম দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হয়। যা নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার স্পষ্ট লঙ্গন।

নোটিশে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে অ্যাড. মাহবুব আলীকে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে, একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে দু’বার আচরণ বিধি ভঙ্গের দায়ে শোকজ করে।

বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা

0

আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে এ খবর নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে কাদের বলেন, নির্বাচনে ১১ দেশের ৮০ পর্যবেক্ষক আসবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা আগে থেকেই ঢাকায় আছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০ জন বিদেশি সংবাদকর্মী এসেছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের শেষ জনসভা জানিয়ে তিনি বলেন, এবার নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। যেখানে তারা আচরণবিধি লঙ্ঘন দেখছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে তাদের অবস্থান দৃশ্যমান।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের সুবিধাভোগী সোয়া ৩ কোটি ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিতে রিট

0

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকারের সুবিধাভোগ করা সোয়া তিন কোটি ভোটারের কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

রিট আবেদনটি করেন সরকার সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতা ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ। বিচারপতি মো. ইকবাল কবীরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে বুধবার (৩ জানুয়ারি) রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় রয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী বশির আহমেদ বলেন, সোয়া ৩ কোটি ভোটারের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছি। রিটে সরকারের সুবিধাভোগী নাগরিকদের ভোটদানে বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিটে আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী ড. বশির আহমেদ বলেন, কমনওয়েলভুক্ত অনেক দেশে নির্বাচনে ভোটারদের ভোটদানে বাধ্যতামূলক করার বিধান রয়েছে। আমেরিকার দুটি অঙ্গরাজ্যে ভোট দেওয়ার বাধ্যতামূলক বিধান চালু রয়েছে। বাংলাদেশ কমনওয়েলভুক্ত দেশ। এই দেশেও সরকারের সুবিধাভোগী নাগরিকদের ভোটদানে বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। এ কারণে রিট দায়ের করেছি।

ড. বশির আহমেদ জানান, সরকারের সরাসরি সুবিধাভোগী ২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটার রয়েছে। এছাড়া আধা সরকারি, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী মিলে মোট সোয়া ৩ কোটি ভোটার রয়েছে।

জাপানে ভূমিকম্প: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫, আরও বাড়তে পারে প্রাণহানি

0

জাপানে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নতুন বছরের প্রথম দিনে দেশটিতে আঘাত হানা শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা ৫৫ জনে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এছাড়া নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবারের শক্তিশালী ভূমিকম্পের জেরে জাপানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধারকারীরা বেঁচে যাওয়াদের সন্ধানে বুধবারও মরিয়া হয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন।

গত সোমবার জাপানের ইশিকাওয়া অঞ্চলটি ছিল ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল, যার ফলে সমুদ্রে বড় বড় ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় এবং বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয় সময় ৪টা ১০ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পটি হোনশু দ্বীপের নোটো প্রদেশে আঘাত করলে সেখানকার কর্মকর্তারা উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এই ভূমিকম্পে সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও অজানা, তবে বেশ কয়েকটি শহরে বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কিছু মানুষ আটকাও পড়েছেন।

এএফপি বলছে, ইশিকাওয়া অঞ্চলের নোটো প্রদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। সেখানে শত শত বিল্ডিং আগুনে পুড়ে গেছে এবং ঘরবাড়ি মাটিতে মিশে গেছে। আঞ্চলিক সরকার মঙ্গলবার রাতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৫৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও ২২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

তবে আফটারশক এবং খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারীরা। ৩১ হাজার ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন বলেও জানিয়েছে তারা।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) নোটো এলাকায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

অন্যদিকে উপকূলীয় শহর সুজুর মেয়র মাসুহিরো ইজুমিয়া বলেছেন, ‘সেখানকার প্রায় কোনও বাড়িই আর দাঁড়িয়ে নেই’। তিনি বলেন, ‘শহরের প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়ি সম্পূর্ণ বা প্রায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে… পরিস্থিতি সত্যিই বিপর্যয়কর।’

শিকা শহরের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা এক নারী টিভি আশাহিকে বলেছেন, আফটারশকের কারণে তিনি ‘ঘুমাতে পারছেন না’। তিনি বলেন, ‘আমি ভয় পাচ্ছি। কারণ আমরা জানি না যে পরবর্তী ভূমিকম্প কখন আঘাত হানবে।’

এদিকে ইশিকাওয়া প্রিফেকচারে প্রায় ৩৪ হাজার পরিবার এখনও বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে বলে স্থানীয় ইউটিলিটি সেবাদাতা সংস্থা জানিয়েছে। অনেক শহরে পানি সরবরাহও বন্ধ হয়ে গেছে।

প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে কয়েক হাজার লোক আটকে থাকার পরে শিনকানসেন বুলেট ট্রেন এবং মহাসড়কগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, জাপানের হোনশু দ্বীপের ইশিকাওয়া প্রিফেকচারে আঘাত হানা ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৫।

তবে জাপানি কর্তৃপক্ষ এই কম্পনকে ৭.৬ মাত্রার বলে অভিহিত করেছে। দেশটি বলেছে, গত সোমবার থেকে জাপানে ২১০টিরও বেশি ভূমিকম্প হয়েছে।

উল্লেখ্য, জাপান প্রতি বছর শত শত ভূমিকম্পের সম্মুখীন হয়ে থাকে এবং দেশটির জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই এতে কোনও ক্ষতির শিকার হয় না। তবে ২০১৮ সাল থেকে নোটো উপদ্বীপ অঞ্চলে ভূমিকম্পের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে গত বছর জাপান সরকারের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

‘অনূর্ধ্ব-১৯ দলের খেলোয়াড়দের বোঝাপড়া ভালো’

0
খেলাধুলা ডেস্ক । জনতা মেইল
খেলাধুলা ডেস্ক । জনতা মেইল

শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযান সামনে রেখে অনুশীলন ক্যাম্প শুরু করেছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ দল। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রথম দিনে ফিটনেস প্রস্তুতি সারেন যুবারা।

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার আগে ঘরের মাঠে এক সপ্তাহের ক্যাম্প করবে বাংলাদেশ। এরপর বিশ্বকাপ শুরুর আগ পর্যন্ত কন্ডিশনিং ক্যাম্প হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়।

আগামী ১৯ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবে যুব বিশ্বকাপ। যেখানে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ২০২০ শিরোপাজয়ী বাংলাদেশ। সেখানে ভারত ছাড়াও আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে টাইগার যুবারা। আগামী ২০ জানুয়ারি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্ব আসর শুরু করবে টাইগার যুবারা।

এদিকে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের প্রোটিয়া সফর নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন টিম ম্যানেজার সানোয়ার হোসেন। তার দাবি, এই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো।

টিম ম্যানেজারের ভাষ্য, আমাদের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুশীলনের পরিকল্পনা রয়েছে। ওই দিনই আমাদের ফ্লাইট। সেখানকার কন্ডিশন বিবেচনায় আমরা আগেই সেখানে যাচ্ছি। এই সময়ে আমরা যতটা পারি, মানিয়ে নেব।

তিনি যোগ করেন, জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা অনেক কিছুতেই অভ্যস্ত। অনেক কিছু জানে। কিন্তু এই ছেলেগুলো (অনূর্ধ্ব-১৯), অনেকেই আছে প্রথমবার ট্যুর করছে, দ্বিতীয়বার যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই তাদের অনেক কিছু জানার আছে। তারা খুবই ডিসিপ্লিন এবং ট্যালেন্টেড। তাদের গাইডলাইন দরকার।

সানোয়ারের মন্তব্য, আমাদের বেশ কিছু আইডল ক্রিকেটার আছে, যারা বিশ্ব ক্রিকেটেও এখন আইডল। তাদের কাছে জানা-শেখার; মোটিভেশনের অনেক কিছু আছে। যুবারা এশিয়া কাপে পাড়ি জমানোর আগেও সিনিয়রদের (সাকিব-তামিমরা) সঙ্গে কথা বলেছে। আমি আশা করি, বিশ্বকাপের আগে সাকিব-মুশফিকরা যুবাদের গাইডলাইন দেবে।

‘তারা এখনও পুরোপুরি ম্যাচিউড না। তারা একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ম্যাচিউরিটি বাড়বে। এই দলের সবচেয়ে ভালো দিক, তারা একে অপরকে অনেক ভালো বুঝে।’- যোগ করেন সাবেক এই টাইগার ক্রিকেটার।